আমাদের ভারত, ১৫ ডিসেম্বর: প্রায়শই ভরতের সাথে সীমান্ত বিবাদ লেগে থাকে চিন পাকিস্তানের। পাকিস্তান থেকে প্রায়শই ভারতের দিকে গুলি চালানোর ঘটনা যেমন ঘটছে তেমনি সম্প্রতি চিন অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। যদিও এর যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত। এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে চিন পাকিস্তানকে একহাত নিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
বুধবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে নাম না করেই চিন পাকিস্তানের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। বিদেশ মন্ত্রী বলেন, কিছু দেশ আন্তর্জাতিক মঞ্চগুলির অপব্যবহার করছে সন্ত্রাসে যুক্ত ব্যক্তিদের আশ্রয় দিতে।
বুধবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের আন্তর্জাতিক শান্তি ও সুরক্ষা রক্ষা বিষয়ক বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধি ছিলেন বিদেশ মন্ত্রী। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে বিদেশ মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দিতে আন্তর্জাতিক মঞ্চ গুলির ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাকি বিষয়ের মতো সন্ত্রাসবাদের বিষয়েও আলোচনা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলায় গোটা বিশ্বের একজোট হওয়ার পরিকল্পনা চলছে। সেখানে আন্তর্জাতিক মঞ্চ গুলি সন্ত্রাসবাদের জড়িতদের স্বপক্ষে সাফাই দেওয়ার জন্য অপব্যবহার করা হচ্ছে।
চিন পাকিস্তানের নাম না করলেও এই আক্রমণ যে তাদের জন্য ছিল তা বলাই বাহুল্য। সম্প্রতি রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের মঞ্চে যতবারই পাকিস্তানে বসবাসকারী সন্ত্রাসবাদীদের বিশেষ করে জৈশ ই মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করার চেষ্টা করেছে ততবারই বাধা দিয়েছে চিন। বর্তমান সময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বিদেশ মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে সবথেকে বেশি প্রয়োজন পরিবর্তন। আমি নিশ্চিত যে গোটা বিশ্ব বিশেষ করে দক্ষিণ অংশ ভারতের এই চিন্তাধারার সঙ্গে সহমত। আমরা সকলেই জানি নিরাপত্তা কাউন্সিলের সঠিকভাবে প্রতিনিধিত্ব সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে গত ৩ দশক ধরে আলোচনা চলছে। সংস্কার নিয়ে যখন উদ্দেশ্যহীন ভাবে বিতর্ক চলছে সেই সময় আসল বিশ্ব নাটকীয় ভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে।

