আমাদের ভারত, ৯ জুন: পাকিস্তানি হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা নতুন কিছু নয়। প্রায়শই সেখানে হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনা শোনা যায়। এদিকে নবী বিতর্কে ভারতের সমালোচনা করেছে পাক প্রধানমন্ত্রী। সেই সমালোচনার পাল্টায় পাকিস্তানকে কড়া জবাব দিয়ে সেখানে প্রায়শই সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা মনে করিয়েছে ভারত। তার মধ্যেই করাচিতে আবারও একটি হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে, আর তাতেই মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার পাকিস্তানের করাচি শহরে একটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙ্গচুর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, করাচির কোরাঙ্গি এলাকায় মাতার মন্দির ভিতরে রাখা মূর্তিগুলি ধ্বংস করা হয়েছে। এই ঘটনায় করাচিতে বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ভীতি সঞ্চার হয়েছে। সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ৬-৮ জন মোটরসাইকেলে করে এসে ওই এলাকার মন্দিরের ঢুকে হামলা চালায়। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের মন্দির গুলি প্রায়শই হিংসার কবলে পড়ে। এটা কোনো নতুন ঘটনা নয়। এর আগে কুঠরীতে সিন্ধু নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মন্দিরেও দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছিল। গত আগস্ট মাসে একটি ৮ বছরের হিন্দু ছেলে না বুঝে মসজিদে প্রস্রাব করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরাট বিক্ষোভ শুরু হয়। গ্রেফতার করা হয় শিশুটিকে। স্থানীয় আদালতে শিশুটিকে জামিন দেয়ার পর কয়েকজন লোকজন স্থানীয় একটি গণেশ মন্দির ভাঙ্গচুর করে।
সম্প্রতি পাকিস্তান ভারতের নবী বিতর্ক নিয়ে সোচ্চার হয়েছিল। পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ নবী বিতর্কে সমালোচনা করে বলেন, ভারতে সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়ন হচ্ছে। পাক প্রধানমন্ত্রীর এই কথার জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রক পাল্টা দিয়ে বলে, যারা নিজেরাই প্রত্যেকদিন তাদের দেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করছে তারা আবার ভারতের সংখ্যালঘু নিয়ে মন্তব্য করছে। পাকিস্তানের উচিত আগে নিজেদের সমস্যা সামলানো।

