আমাদের ভারত, ১৭ জুলাই: অনন্য রেকর্ড গড়ল ভারত। করোনা টিকাকরণ শুরুর মাত্র ১৮ মাসের মধ্যেই ২০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের মাইল ফলক ছুঁয়েছে দেশ। এই রেকর্ড গড়ার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সমস্ত দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
নরেন্দ্র মোদী টুইটারে লিখেছেন, “ভারত আবার ইতিহাস গড়েছে। ২০০ কোটির টিকাকরণ সম্পন্ন করায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা। যারা দেশের টিকাকরণকে অভাবনীয় গতিতে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তাদের অভিনন্দন। এটি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইকে আরোও শক্তিশালী করে তুলবে। শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে করোনা দাপট দেখাতে শুরু করে। করোনা প্রতিরোধে মার্চ মাস থেকে লকডাউন জারি হয় দেশে। ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে করোনার টিকাকরণ শুরু হয়। প্রথম ধাপে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় স্বাস্থ্যকর্মীদের ওই বছরই পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে টিকা পেতে শুরু করেন স্বাস্থ্যকর্মী সহ করোনা যুদ্ধের প্রথম সারির যোদ্ধারা। এরপর পয়লা মার্চ থেকে শুরু হয় ষাটোর্ধ্বদের ভ্যাকসিনেশন। একইসঙ্গে ৪৫-৫৯ বছর বয়সী যাদের কোমর্বিডিটি রয়েছে তাদের টিকাকরণ শুরু হয়। করোনার দাপট বাড়ায় ১ এপ্রিল থেকে ৪৫ ঊর্দ্ধ সকলকে করোনা টিকা দেওয়া শুরু হয়। এক মাসের মাথাতেই ১মে থেকে ১৮ ঊর্দ্ধ সকলের টিকাকরণের অনুমতি দেয় কেন্দ্র সরকার। এরপর ২০২২ এ ১৮ নিচে থাকা নির্দিষ্ট বয়সে টিকা করণের অনুমতি দেয় সরকার। সম্প্রতি করোনা যোদ্ধা সহ ১৮ ঊর্দ্ধ সকলকে বুস্টার ডোজের অনুমতি দেওয়া হয়।
কিন্তু বুষ্টার ডোজে তেমন আগ্রহ ছিল না আমজনতার। করোনা সংক্রমনের গ্রাফ দ্রুত উঠছে। চতুর্থ ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে টিকাকরণের গতিও বেড়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী টিকাকরণ শুরুর নয় মাসের মধ্যে ১০০ কোটির গণ্ডি পার করেছিল ভারত। এরপরের নয় মাসে আরও ১০০ কোটির টিকাকরণ সম্পূর্ণ হল দেশে।

