আমাদের ভারত, ১ অক্টোবর: প্রতীক্ষার অবসান। ভারতে শুরু হল ৫জি পরিষেবা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লির বুকে দাঁড়িয়ে বড় ইতিহাস তৈরি করলেন। আর এর ফলে উন্নত দেশ হবার দিকে আরো এক ধাপ এগোল ভারত।
ভারতের তিনটি বড় বড় টেলিকম অপারেটর সংস্থার রিলায়েন্স জিও, এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়া এই পরিষেবার সুবিধা বুঝিয়ে দিলেন সকলকে। কেন্দ্র সরকার মোট ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা টেলিকম স্পেকট্রাম নিলামে এই সিদ্ধান্ত নেয়। এই নিলামে সকলকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যায় মুকেশ আম্বানির জিও। ৮৮,০৭৮ লক্ষ কোটি টাকা টেলিকম স্পেকট্রাম মুকেশ আম্বানি কিনেছেন, এয়ারটেল কিনেছে ৪৩০৮৪ লক্ষ কোটি টাকা স্পেকট্রাম, বাকি স্পেকট্রাম কিনেছে ভোডাফোন আইডিয়া।
৪জি থেকে দেশ এবার ধীরে ধীরে ৫জির দিকে চলে আসবে। তবে সরকার জানিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এ কাজ শেষ হবে। খুব কম সময়ে দেশের ৮০% এই পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে মোদী সরকার। ৪জি পরিষেবার সঙ্গে এখানেই পার্থক্য তৈরী করতে চান মোদী।
২০১০সালে ভারতে প্রথম ৪জি পরিষেবা আসে। কিন্তু তা সমস্ত গ্রাহকের কাছে পৌছতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গিয়েছিল। কিন্তু ৪জি নেটওয়ার্ক দেশের টেলিকম সেক্টরে বিপ্লব এনেছিল। ভারতীয়রা সেই প্রথম একটি প্যাকেজের মধ্যে ইন্টারনেট ডেটা ও কলের সুবিধা পেতে শুরু করেছিল। ডেটা গতির নাটকীয় ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। সেই গতি আরো বাড়িয়ে দেবে ৫জি। ভারতীয়দের ভার্চুয়াল রিয়েলিটি জগতের সঙ্গে পরিচয় করাবে। মেটাফর্স থেকে গেমিং অভিজ্ঞতা সবকিছুই আরো উন্নত মানের হতে চলেছে এই পরিষেবার অধীনে। শুধু তাই নয় নেটওয়ার্ক সমস্যারও সমাধান হবে বলে আশাবাদী দেশবাসী।
১৯৮০ সালে প্রথম ভারতে এসেছিল ১জি পরিসেবা। তারপর মাঝে কেটেছে চার দশক। ভারত এবার পেল এক উন্নত টেলিকম পরিষেবা যা যুগান্তকারী।

