আমাদের ভারত, ৪ জানুয়ারি: পশ্চিমবঙ্গে আরও দুটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস আসার কথা থাকলেও এমন ঘটনা ঘটলে রেলমন্ত্রক হয়তো অন্য কিছু ভাবতে বাধ্য হবে। মালদায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হামলার ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার। আজ রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে রাজভবনে সামনে দাঁড়িয়ে এভাবেই রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়ান বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
সোমবার মালদার কুমারগঞ্জ এবং পরে নিউজলপাইগুড়ি রেল স্টেশনে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এই ঘটনায় নতুন ট্রেনের বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে ট্রেনের ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে। বুধবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বসুর সঙ্গে বৈঠক করে বেরনোর পরে এই নিয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি সিএএ বিরোধী আন্দোলন এবং এনআরসির বিরোধী আন্দোলনে বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হবার কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জয় শ্রীরাম ধ্বনি ওঠার প্রতিশোধ নিতেই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হামলা চালানো হয়েছে।
সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “সিএএর সময় দেখা গিয়েছিল এনআরসির ভয় দেখিয়ে ট্রেনে ট্রেনে হামলা হয়েছিল। এখন বন্দে ভারতের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জয় শ্রীরাম ধ্বনি ওঠার প্রতিশোধ নিতেই ঢিল ছোড়া হচ্ছে না তো?” গতকাল এই একই প্রসঙ্গ তুলে কথা বলেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তবে সুকান্ত মজুমদার আরোও বলেন, আরো দুটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পাওয়ার কথা ছিল বাংলার। সারা দেশে মোট ৪৭৫ টি বন্দে ভারত চলার কথা, কিন্তু এরকম ভাবে এত সুন্দর একটা ট্রেন যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন রেলওয়ে মন্ত্রকও হয়তো এ ব্যাপারে ভাবতে শুরু করবে।
অভিযোগের সুরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাজে জড়িত থাকতে পারে। তিনি বলেন, যদি আবাস যোজনায় ঘর না পেয়ে থাকেন তাহলে বিডিওর অফিসে ঢিল মারুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে কেন ঢিল ছুঁড়ছেন?

