আমাদের ভারত, ৪ অক্টোবর: আজ ভারতবর্ষ গোটা বিশ্বের ফার্মাসি হয়ে উঠেছে। গত ৭৫ বছরে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় কৃতিত্ব হল চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই দাবি করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তথা হু–র শীর্ষ বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন।
একটি বেসরকারী সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠান ‘সুস্থ ভারত সম্পন্ন ভারত’এর মঞ্চে স্বামীনাথন স্বাস্থ্যখাতে ভারতের চারটি বড় কৃতিত্বের কথা তুলে ধরেন। এই চারটি কৃতিত্ব হল পোলিও দূরীকরণ সহ বেশ কিছু টিকায় আরোগ্য সম্ভব এমন রোগের দূরীকরণ। শিশু ও প্রসূতি মৃত্যুর হার হ্রাস, ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ ইত্যাদি। আর এইসব কৃতিত্বের কারণেই ভারত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের ফার্মাসিতে পরিণত হচ্ছে বলে মনে করেন স্বামীনাথন।
হু-এর এই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী বলেছেন কোভিড অতিমারি বিশ্বের প্রতিটি দেশেই জরুরী কালীন স্বাস্থ্যপরিষেবা খাতে বড়সড় প্রভাব ফেলেছে। আর এই সমস্ত দেশের মধ্যে ভারতও রয়েছে। যক্ষা রোগের চিকিৎসা, শিশুদের চিকিৎসা পরিষেবায় এর বিশেষ প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিশ্বের অন্য প্রান্তের মত ভারতে যে কোভিড রোগের টিকা করনের সমস্যা হয়েছে তারও উল্লেখ করেছেন তিনি।
তবে সার্বিকভাবে ভারত যে ৭০ বছরে গোটা বিশ্বের মধ্যে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় প্রথম সারিতে উঠে এসেছে তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন সৌম্যা স্বামীনাথন।
ভারত এই মুহূর্তে বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী দেশ। গোটা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন রোগের টিকা ভারত থেকে সরবরাহ করা হয়। করোনা মহামারীর শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিশ্রুতি মতো বিশ্বের বহু দেশকে ওষুধপত্র এবং করোনা চিকিৎসার অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছে ভারত সরকার। করোনার টিকাও রপ্তানি করেছে ভারত। সার্বিকভাবে গোটা বিশ্বকে করোনার সময় সাহায্য করেছে ভারত।

