আমাদের ভারত, ২৩ ফেব্রুয়ারি:চলতি মাসেই সারাদেশে ১৭ বার পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়েছে।আর লাগাতার এই দাম বৃদ্ধির ফলে নাভিশ্বাস উঠেছে আমজনতার। চাপ বাড়ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপরেও। পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ফলে হুহু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামও বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১০০ টাকা পেরিয়েছে। আর সেই কারণেই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। মুম্বাইতে বেড়েছে অটোরিক্সা, ট্যাক্সি ভাড়াও। সাধারণ মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। এরই কিভাবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম সাধ্যের মধ্যে রাখা যায় সে পথ খুঁজছে কেন্দ্র। আর সেই জন্যেই এবার পেট্রোপণ্য জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দিল কেন্দ্র।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান,” আমরা পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দিয়েছি। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জিএসটি কাউন্সিল। পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনতে পারলে সাধারণ মানুষের লাভ হবে। দেশে পেট্রোল-ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণও সহজ হবে।
ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, “পেট্রোল ও ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনলে সাধারণ মানুষের লাভ হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার গুলিকে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। কারণ এর ফলে পেট্রোল জাতীয় দ্রব্য থেকে রাজ্যগুলি লভ্যাংশ কমে যাবে।”
তিনি আগেও জানিয়েছিলেন পেট্রোল উৎপাদনকারী দেশগুলোর কূটনীতি লাগাতার দাম বৃদ্ধির জন্য দায়ী। তিনি জানিয়েছিলেন উৎপাদনকারী দেশ গুলি এখন কম পরিমাণে পেট্রোল উৎপাদন করছে, যাতে চড়া দামে বিক্রি করা যায়, আর সেই কারণেই গ্রাহক দেশগুলির সমস্যায় পড়ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন দ্রুতই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে। করোনার জেরে মহামারীর পরিস্থিতিও এই দাম বৃদ্ধির জন্য দায়ী বলেও জানিয়েছেন তিনি।

