সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৩
জুলাই: শীঘ্রই করোনা অতিমারীর তৃতীয় ঢেউ দেশজুড়ে শুরু হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ঢেউয়ের ফলে মূলত ১৮ বছরের নীচের শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। এই কথা মাথায় রেখেই বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ জাহিদুল সরকার শিশুদের সুরক্ষার জন্য হাসপাতাল তৈরীর পরিকল্পনা করেছেন।

এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁরই মা রিজিয়া বিবির হাত ধরে। তাঁর স্বপ্নের এই স্বাস্থ্য পরিসেবা পিতা মান্নান সরকার ও মাতা রিজিয়া বিবির নাম অনুসারে “এমআর হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনোস্টিক” দিনরাত মানুষের চিকিৎসার জন্য অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দাঁড়িয়ে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগর বিধানসভার অন্তর্গত বিড়া রাজীবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিশায়। প্রাথমিক ভাবে ১২০ শয্যার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে থাকছে সমস্ত ধরনের চিকিৎসা পরিষেবা। পশ্চিমবঙ্গের অনেকেই চিকিৎসার জন্য নির্ভর করেন ভেলোরের উপর। কিন্তু আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে হাসপাতালের কর্ণধার ডাঃ জাহিদুল সরকার জানান, এই ধারণাকে আমূল বদলে দিতেই ট্যাগলাইন রাখা হয়েছে ‘আর নয় ভেলোর’। শুরুটা হয়েছিল ২০১০ সালে এমআর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট নার্সিং স্কুল বিএড কলেজ দিয়ে। এবার হাসপাতাল তৈরি করলেন। স্বল্প খরচে এখানে চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে অবশ্যই থাকছে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসার সুবিধা। ৩৯ জন ডাক্তার ও ২৪০ জন নার্স নিয়ে এই হাসপাতালের সূচনা। দুইজন অসুস্থ ব্যক্তি পিছু একজন নার্সের ব্যবস্থা। রয়েছে আইসিসিইউ’য়ের ব্যবস্থা।
এদিন সূচনা পর্বে উপস্থিত ছিলেন অশোকনগর বিধানসভার বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী, জেলা পরিষদের নারী ও শিশু কল্যাণ বিভাগের কর্মাধ্যক্ষ রেহেনা খাতুন সহ একঝাঁক ডাক্তার। বিধায়ক জানান, অতি উন্নত মানের একটি হাসপাতাল অশোকনগরে স্থাপন হওয়ায় অশোকনগরবাসী আগামী দিনে সুচিকিৎসা পাবে। হাতের কাছে এত বড় একটি হাসপাতাল হওয়ায় আশেপাশে এলাকার মানুষ উপকৃত হবে।


