করোনা পরিস্থিতিতে ধনদেবী মা লক্ষ্মীর আরাধনায় পকেটে টান, ক্রেতা-বিক্রেতা দু’পক্ষই সঙ্কটে

স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ১৯ অক্টোবর: করোনাকালে পকেটের লক্ষ্মীর আকাল। তাই দাম দর করে কিনতে হচ্ছে ধনদেবী লক্ষ্মীকে। মানুষের কাজ না থাকায় অতিরিক্ত দাম দিয়ে লক্ষ্মী দেবীর মূর্তি কেনার ক্ষমতা নেই। এদিকে জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া ফল, ফুল, পুজোর সামগ্রীর দাম শুনে মাথায় হাত ক্রেতাদের।

অপরদিকে প্রতিমা প্রস্তুতকারক শিল্পীরাও অত্যধিক দাম আদায় করার চিন্তায় আছে কারণ তাদেরও প্রতিমা প্রস্তুতের জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে, কিন্তু অত্যধিক প্রতিমার দাম বললেও মানুষ নিতে চাইছে না। করোনাই কেড়ে নিয়েছে অনেক প্রাণ সেইসব বাড়িতেও পুজো হচ্ছে না, তাই প্রতিমা বিক্রিতে ঘাটতি দেখা দিয়েছে এমনটাই অভিমত কৃষ্ণনগরের পোস্ট অফিস মোড়ে বিক্রেতা কিছু মৃৎ শিল্পীর। করোনা আবহে ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই সঙ্কটে।

করোনার আগে পোস্ট অফিস চত্বরে ভরে থাকতো লক্ষ্মী প্রতিমার ভিড়ে। কিন্তু বর্তমানে খাটনি অনুযায়ী দাম না পাওয়ায় অনেকে এই পেশা ত্যাগ করে অন্য পেশায় চলে গেছে। কেউ মিস্ত্রির কাজ করছে আবার কেউ যোগাড়ের কাজ করছে। মৃৎশিল্পীর এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী মৃৎশিল্প আগামী দিন কতটা উজ্জ্বল হবে এখন সেটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *