স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ৭ এপ্রিল: এক গৃহবধুকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠলো তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ থানার ভাতুন গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলদারপাড়া এলাকায়। আহত ওই গৃহবধুর নাম পুজা সিং। বাড়ি বেলদারপাড়াতে। সাধন অধিকারী নামে ওই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী ঘটনার পর থেকে পলাতক। এই ঘটনায় পুজার স্বামী ছোটু সিং রায়গঞ্জ থানার লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ওই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, ভাতুন গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছোটু সিংয়ের স্ত্রী পুজা সিং এর সাথে গ্রামের কিছু মানুষের ঝামেলা চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। তাদের সাথে গ্রামে মানুষ কথা বলতো না বলে অভিযোগ। কয়েকদিন ধরে গ্রামের মানুষদের সাথে ছোটু ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সাথে কথা বলতে শুরু করে প্রতিবেশিরা। মঙ্গলবার বিকেলে পাশের বাড়ির এক গৃহবধুর সাথে কথা বলছিল পুজা সিং। সেখানে আচমকাই সাধন অধিকারী এসে পুজা সিংকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পুজা তার কথার প্রতিবাদ করলে ধারাল অস্ত্র দিয়ে পুজার হাতে কোপ মারে। এরপর একটি লাটি নিয়ে এসে পুজার মাথায় আঘাত করলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান।

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি পুজার স্বামী ছোটুকে খবর দিলে ছোটু বাড়িতে ছুটে আসে। রক্তাক্ত অবস্থায় পুজাকে প্রথমে রায়গঞ্জ থানায় নিয়ে আসার পরে তাঁকে রায়গঞ্জ জেলা গর্ভামেন্ট মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ঘটনার পর থেকে পলাতক সাধন অধিকারী। এই ঘটনায় পুজার স্বামী সাধনের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানার অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ সাধনের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে।
পুজার স্বামী ছোটু সিং জানিয়েছেন, যে আমার স্ত্রীকে মেরেছে তার শাস্তি চাই, আজ আমার স্ত্রীর সাথে এমন কাজ করেছে আগামী দিনে এমন কাজ আর যেন না করতে পারে।

