রাজেন রায়, কলকাতা, ১৭ জুলাই: করোনায় মৃত্যুর কারণে বিধানসভা নির্বাচনে কিছু কেন্দ্রর ভোট স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল। আবার ভোট হয়ে যাওয়ার পরেও মৃত্যু হয়েছিল খড়দহ বিধানসভার প্রার্থী কাজল সিনহার। এমনকি খোদ মুখ্যমন্ত্রী হেরে গিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের আসনে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে হলে ছ’মাসের মধ্যে তাকে জিতে আসতেই হবে রাজ্যের অন্য যে কোনও বিধানসভা আসন থেকে।
এখন রাজ্যে করোনার প্রকোপ অনেক কম। তাই রাজ্যে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের যে সাতটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন (এর মধ্যে ২টি কেন্দ্রে বিধানসভা ভোট হয়নি) বাকি সেসব জায়গায় ইভিএম-ভিভিপ্যাটের ‘ফার্স্ট লেভেল চেকিং’ অর্থাৎ প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষার নির্দেশ দিল কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তাদের এই নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে ইভিএম ভিভিপ্যাটের ফার্স্ট লেভেল চেকিং শুরু করতে বলে কার্যত ওই ৫ কেন্দ্রের উপনির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করে দিল কমিশন। আগামী ৩ থেকে ৬ আগস্টের মধ্যে জেলাগুলিকে এই কাজ সেরে ফেলতে বলেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এটি ভোট প্রস্তুতির সর্ব প্রথম ধাপ।
ভবানীপুর, খড়দহ, গোসাবা, শান্তিপুর, জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জ এবং দিনহাটা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। যেহেতু মুর্শিদাবাদে ইভিএম চূড়ান্ত পরীক্ষা করা রয়েছে তাই মুর্শিদাবাদ বাদে বাকি পাঁচ জেলাকে ইভিএম-ভিভিপ্যাট প্রথম পর্যায়ের প্রস্তুতি সেরে ফেলতে বলা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ইভিএম পরীক্ষার নির্দেশ শাসক দলের নৈতিক জয় বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

