সুশান্ত ঘোষ, বনগাঁ, ২ আগস্ট: পেট্রাপোলগামী ট্রাক চালকদের কাছ থেকে জোর জুলুম করে মোটা টাকা আদায়, না দিলেই মারধোরের অভিযোগ উঠল বনগাঁ মোটর ভেইকেলস বিভাগের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে যশোর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভে নামলেন ট্রাক চালক এবং মালিকেরা। নিজেদের দাবির সমর্থনে রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত বনগাঁয় অবরোধ, বিক্ষোভ চলে।
এশিয়ার বৃহত্তম স্থলবন্দর পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাক পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে যায়। এই বহির্বানিজ্যের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে বনগাঁর অর্থনীতি। সেখানে যেমন ট্রাক চালক, মালিক রয়েছেন, তেমন আমদানী–রপ্তানিকারীরাও রয়েছেন। ট্রাক চালক, মালিকদের অভিযোগ, ‘পশ্চিমবঙ্গের একাধিক সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পরিবহন করা হয়। অথচ বনগাঁ সীমান্তের মতো এতো জুলুমবাজি আর কোথাও হয় না। পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পণ্যবাহী ট্রাক যাওয়ার আগে মিলন পল্লী পার্কিং এ যায়। সেখান থেকে সীমান্তে যাওয়ার সময় মোটর ভেইকেলস বিভাগের কর্মী, অফিসাররা ট্রাক দাঁড় করিয়ে নানাভাবে হেনস্থা করেন। মোটা টাকা দাবি করেন।’

তাঁদের আরও অভিযোগ, ‘দাবি পূরণ না করলে ট্রাক চালকদের কপালে জোটে মারধর। দুদিন আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এইভাবে চলতে থাকলে বনগাঁর ট্রাক চালক, মালিকদের জীবন আরও বিপন্ন হয়ে উঠবে।’ এরই প্রতিবাদে রবিবার রাত ১০ টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বনগাঁর বিএসএফ ক্যাম্পের মোড়ে বিক্ষোভ, অবরোধ শুরু করেন ট্রাক চালক এবং মালিকেরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে এই অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। জেলা এবং রাজ্য প্রশাসনকে এব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে হবে। যদিও বনগাঁ মোটর ভেইকেলসের আধিকারিক এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

