আমাদের ভারত, হুগলি, ৩ সেপ্টেম্বর: এক দিকে চলছে স্কুলের ভিতরে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির। অন্যদিকে সিপিএমের পার্টি অফিসে গিয়ে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর ফর্ম পূরণ করছেন এলাকার কিছু মানুষ। তাদের সাহায্য করছেন সিপিএমের নেতা কর্মীরা। পাশে দাঁড়িয়ে মহিলাদের ফর্ম পূরণ করে দেওয়ার কাজের তদারকি করছেন বাম নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার বিরল এই দৃশ্য দেখা গেল, হুগলি জেলার চুঁচুড়া শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে।
গোটা রাজ্যের সঙ্গেই হুগলি জেলাতেও দ্বিতীয় দফায় শুরু হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি। চুঁচুড়া শহরের কাপাসডাঙ্গা সতীন সেন বিদ্যালয়ে চলছিল ওই শিবির। সেই শিবিরের বাইরে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতে দলীয় অফিসে ছিলেন সিপিএম নেতা-কর্মীরা। বিনা পারিশ্রমিকেই মহিলাদের ফর্ম পূরণ করে দিচ্ছেন বাম শিবিরের নেতা কর্মীরা। এই ঘটনায় গর্ববোধ করে মুচুকি হেসেছেন স্থানীয় তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। দিদির প্রকল্পে সিপিএম নেতাদের সাহায্যের খবর চাউর হতেই কিছুটা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলেছেন তৃণমূলের আট নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা নির্মল চক্রবর্তী, সুরজিৎ শি, ও বিদ্যুৎ পালরা।
এই প্রসঙ্গে হুগলি চুঁচুড়া পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম নেতা স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এই এলাকার মানুষরা আমাদের খুব পরিচিত। কিছু মানুষের সঙ্গে আমাদের ব্যক্তিগত যোগাযোগও রয়েছে। তাই তাদের সাহায্য করতে তাদের পাশে থাকতে আমরা তাদের ফর্ম ফিলাপের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।
হুগলি চুঁচুড়া পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা নির্মল চক্রবর্তী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ্মী ভাণ্ডারর প্রকল্পের জন্য সাধারণ মানুষ সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন। আমাদের এখানেই ফর্ম ফিলাপের সমস্ত ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু, সরকারের এই প্রকল্পে বামপন্থীরাও কিছু মানুষকে সাহায্য করেছেন। এটা শুনে আমাদের ভালোই লেগেছে।

