জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর: বেআইনিভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটা ও মাছের ভেড়িই পিংলা, সবং, পটাশপুর সহ দুই মেদিনীপুর জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্লাবনের অন্যতম কারণ বলে মানছেন এলাকার অধিকাংশ সমাজকর্মী, শিক্ষক, নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা। মাছের ভেড়ি ও ইটভাটার কারণেই কেলেঘাই, কপালেশ্বরী নদীর বাঁধ ভেঙ্গে ডেবরা, সবং, ময়না, পিংলা, পটাশপুর ও ভগবানপুর এলাকায় প্লাবন দেখা দেয় বলে সকলেই একমত। সমাজকর্মী ও শিক্ষক শান্তনু অধিকারী, কৃষ্ণ গোপাল চক্রবর্তীদের মতে, অনেক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পর বন্যার জল নেমে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। কিন্তু কেলেঘাইয়ের গতিপথ রুদ্ধ করা কাঁটাখালী এলাকার বেআইনি ইটভাটা চলতেই থাকবে। ইটভাটার ছাইয়ে ভরাট হতে থাকবে নদী।
পাড় নষ্ট করে ও জল নিকাশি ব্যবস্থা ধ্বংস করবে গজিয়ে ওঠা মাছের ভেড়িগুলো। ভেড়ির মালিকদের দাপট ও ইটভাটার দৌরাত্ম্যের ফলেই এই বানভাসি অবস্থা। এই বন্যা নদীর স্বাভাবিক গতিপথ অবরুদ্ধ করার ফল বলে মনে করছেন তারা। এই যুক্তি মেনে রাজ্যের জল সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা বলেন, অধিকাংশ ইটভাটা ও মাছের ভেড়ি বেআইনি। দু’বছর আগের সেচ মন্ত্রী (শুভেন্দু অধিকারী) বিষয়টিতে নজর দেননি। সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেন, সবংয়ে এইসব বেআইনি ইটভাটা ও মাছের ভেড়ি কার আমলে হয়েছে তা সকলেই জানেন। বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে এনেছি।

