স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ৪ আগস্ট:
ভ্যাকসিনের অভাব অভিযোগ নিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষোভ বিক্ষোভের পরিমাণ একটু কমলেও, নদিয়ার চাকদহে ভ্যাকসিনের জন্য নিশিযাপন চলছে এখনও। পরেরদিন ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে দুপুর তিনটে থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করেই দ্বিতীয় ডোজের জন্য
লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩০০ জন। যার মধ্যে অধিকাংশই প্রবীণ।
সারারাত জেগে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে প্রায় দাঁড়িয়ে কাটালেন তারা। এরপর ভোরের আলো ফুটতেই আশা জেগেছিল মনে, আরতো মাত্র কয়েক ঘন্টা। তারপরেই মিলবে ভ্যাকসিন। করোনার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার মহৌষধি। কিন্তু সকাল আটটা নাগাদ জানা গেল মাত্র ৯০ জনকে দেওয়া হবে ভ্যাকসিন, বাকিদের পরের দিন। তার মানে নতুন করে আবারও লাইন। স্বাভাবিকভাবেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ভ্যাকসিন নেওয়ার লাইনে প্রতীক্ষায় থাকা প্রবীণরা। তাঁদের দাবি, কতজনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে সে বিষয়ে আগে থাকতে যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশ দিত তাহলে প্রবীনদের এরকমভাবে হয়রানির শিকার হতে হতো না।

ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়া প্রবীণরা ভিড়ে ঠাসাঠাসি লাইনে দাঁড়িয়ে, করোনার প্রতিষেধক না পেয়ে, করোনায় সংক্রামিত হয়ে বাড়ি ফিরলেন নাতো? তাদের মতে, ভ্যাকসিন দেওয়ার তারিখ এবং সময় লিখে একটি কুপন দিয়ে দিলেই এ ধরনের কোনও সমস্যাই থাকতো না। একাধিকবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ভ্যাকসিনের সরবরাহ ঠিকঠাক থাকলে পাবে সকলেই। ৮৪ দিনের পরেও সময়সীমা থাকে বেশ কিছুদিন, দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই।

