আমাদের ভারত, ২ নভেম্বর: আগের পঞ্চায়েত ভোটে চুড়ান্ত হিংসা হয়েছে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট করা হয়েছে। অনেকে তো বুথ পর্যন্ত যেতেও পারেননি। সন্ত্রাসের আবহে ভোট করিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এমনি একাধিক অভিযোগে প্রায় প্রতিদিনই সরব হন বিজেপি নেতারা। আবার সেই পঞ্চায়েত ভোট সামনে। কিন্তু এবারের ভোটে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর দাওয়াই দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। লাঠির বদলে লাঠির নিদান দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার।
আজ বীরভূমে কেষ্টর গড়ে দাঁড়িয়ে দলের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে সুকান্ত বলেছেন, “লাঠির জবাব লাঠিতে দিন, কেউ যদি ভোট লুট করতে আসে তাহলে তার সর্বস্ব লুট করে বাড়ি পাঠিয়ে দিন।”
বুধবার বীরভূমের হাসন বিধানসভার বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরের বুথ কর্মীদের নিয়ে সভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই তিনি লাঠির বদলে লাঠি অর্থাৎ ভয় না পেয়ে পাল্টা মারের কথা বলেন। বেশ কিছুদিন ধরে লাগাতার পদ্মশিবিরের কর্মসূচি চলছে কেষ্টর গড়ে। বোঝা যাচ্ছে বীরভূমকে টার্গেট করেছে বিজেপি। তাই দলের কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস যুগিয়েছেন তিনি।
দলের বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা মহিলা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাড়িতে বাড়িতে ত্রিশূল বানিয়ে রাখুন। পঞ্চায়েত ভোটে আত্মরক্ষার জন্য ত্রিশূল রাখা দরকার। যদিও এই মন্তব্যের কারণে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একই কথা বলছেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, তৃণমূলের লোকেরা টিকিট না পেলে বিক্ষুব্ধ বা নির্দল হয়ে যাবেন। পঞ্চাশ শতাংশ তৃণমূল নির্দল হয়ে যাবে। বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতির এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন,” দিলীপ ঘোষ আগে নিজের ঘর সামলান। তৃণমূল কংগ্রেস অনেক বড় দল আমাদের বুথ ভিত্তিক সংগঠন আছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিল বিজেপি। পদ্ম নেতা শিশির বাজুরিয়া কমিশনে যান। চিঠি দিয়ে বিজেপির তরফের দাবি করা হয়েছে, অনলাইনে যাতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

