পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম, ২৮ এপ্রিল: “আমরা যদি এক হই। সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেস ছাড়াও আমেরিকা থেকে দল নিয়ে আসলেও তৃণমূল কংগ্রেসকে হারাতে পারবে না”। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল দূর করতে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক।
শুক্রবার ঝাড়গ্রাম শহরের ডিএম হলে ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে জেলার সমস্ত তৃণমূল নেতাদের নিয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো, মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, প্রাক্তন মন্ত্রী চূড়ামনি মাহাতো, ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি মাধবী বিশ্বাস, ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন বীরবাহা সরেন টুডু, ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সভাপতি দুলাল মুর্মু, জেলার বিধায়করা সহ তৃণমূলের একাধিক নেতারা।
এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময় মলয় ঘটক বলেন,
“কেউ বিনা পয়সায় রেশন পাচ্ছেন, কেউ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পেয়েছেন, কেউ লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েছেন, কোনো পরিবার কন্যাশ্রী পেয়েছেন। আদিবাসীদের জন্য একাধিক উন্নয়ন করেছেন। আপনাদের মনে রাখতে হবে আমাদের বিরোধী কারা। সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি সব এক হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর জন্য যে সমস্ত সমবায়গুলিতে ভোট হচ্ছে সেখানে সিপিএম এবং বিজেপি এক হয়ে লড়ছে। সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেস সব এক হয়েছে। তাদের একটাই লক্ষ্য তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানো। আজ সিপিএম, বিজেপি যদি এক হতে পারে, সিপিএম, বিজেপি যদি হাত মেলাতে পারে, আমরা যারা তৃণমূল কংগ্রেস করি তাহলে কেন এক হতে পারবো না? আমরা যদি এক হই সিপিএম, বিজেপি কংগ্রেস ছাড়াও আমেরিকা থেকে দল নিয়ে আসলেও তৃণমূল কংগ্রেসকে হারাতে পারবে না। কোনো দল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে পারবে না”।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন,”২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আপনারা দেখেছেন সমস্ত টিভির পর্দা কিনে নিয়েছিল মোদী। হেলিকপ্টারে করে সব বড় বড় নেতারা ঘুরছিলেন। কিন্তু বিজেপি ২০০ পার করতে পারেনি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০০ পার করে দিয়েছিল। ২০১১ এবং ২০১৬ -র বিধানসভার থেকেও বেশি আসন পেয়েছিল। আমাদের আরো মানুষের কাছে যেতে হবে”।

