মানুষকে ভোট দিতে বাধা দিলে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানো উচিত, বললেন বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা

প্রতীতি ঘোষ,হাবড়া, ১৬ এপ্রিল:
আটচল্লিশ ঘণ্টার নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না রাহুল সিনহা, এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছিল নির্বাচ কমিশন। সেই সময়সীমা শেষ হতেই ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন হাবড়ার বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা। এবার বললেন, মানুষকে ভোট দিতে বাধা দিলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানো উচিত।

শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যুর পর তিনি বলেছিলেন আটজনকে কেন মারল না কেন্দ্রীয় বাহিনী, এজন্য তাদের শোকজ করা উচিত। তার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য নির্বাচনী প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সেই সময়সীমা শেষ হতেই গতকাল তিনি হাবড়ায় বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী বা মানুষের উপর হামলা হলে, মানুষকে ভোট দিতে বাধা দিলে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানো উচিত, তাতে কে মরল কে বাঁচল দেখা দরকার নেই। ভোট হবে অবাধ, ভোট হবে শান্তিপূর্ণ। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সময় মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি, সাধারন ভোটারদের মারধর করে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এবার তা হতে দেওয়া হবে না। এবার মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের ভোট নিজে দেবেন তার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন।” নাম না করে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ঢিল মারলে পাটকেল খেতে হবে’।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাদা ও গেরুয়া গ্যাস বেলুনের পাশাপাশি সাদা পায়রা উড়িয়ে শান্তির বার্তা দিয়ে বাংলা নতুন বছরের দুপুর থেকে হাবড়া এলাকায় ফের ভোট প্রচার শুরু করেছেন রাহুল সিনহা। নববর্ষের শুরুতেই বৃহস্পতিবার দুপুরে হাবড়া বাজারে দলীয় কর্মীদের নিয়ে অস্থায়ী মঞ্চ থেকে দলীয় প্রচার করেন। এরপর উত্তর হাবড়ায় একটি কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে স্থানীয় কয়েকটি বাড়িতে গিয়ে ভোটের প্রচার সারলেন। কথা বললেন পথচলতি মানুষদের সঙ্গেও। এদিন রাহুল সিনহা বলেন,শান্তির বার্তা দিয়ে শান্তির বাণী দিয়ে প্রচার শুরু করলাম। আমি চাই নির্বাচন সুষ্ঠু হোক, কিন্তু যারা নির্বাচনে অশান্তি করতে আসবেন তাদের মানুষ রুখে দেবেন। কেউ ঢিল মারলে পাটকেল খেতে হবে তাই তৈরি থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *