Sukanta, BJP, শিক্ষা নিয়ে ব্রাত্য বসু মুখ খুললে দুর্গন্ধ বের হবে, স্বাস্থ্য ভবন এখন বাস্তিলের দুর্গ, চুড়ান্ত কটাক্ষ সুকান্তর

আমাদের ভারত, ২৭ ফেব্রুয়ারি: রাজ্যের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকারের ও তার মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, শিক্ষা নিয়ে যদি রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু মুখ খোলেন তাহলে দুর্গন্ধ বের হবে। অন্যদিকে স্বাস্থ্যভবনকে বাস্তিলের দুর্গের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।

কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, রাজ্যের স্কুল গুলোকে ব্রাত্যবাবু লাটে তুলে দিয়েছেন। কয়েক হাজার স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। কয়েক হাজার স্কুলে পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন, সেখানে মোটে তিনজন বাচ্চা আছে। তাঁর দাবি, সরকারি স্কুলে কেউ পড়তে আসছে না। যারা লোকের বাড়িতে কাজ করছে কষ্ট করে, রোজগার করছে, তারাও ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা ইংলিশ মিডিয়াম প্রাইভেট স্কুলে তাদের সন্তানদের পড়াশোনা করাচ্ছে। পেট কেটে পড়াচ্ছেন তারা।

এছাড়া রাজ্যের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গাতে ব্রাত্য বসু এবং তার দলবল সহ তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের হুলিগারিজম চলে বলেও অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার। ফলে এতকিছুর পর শিক্ষা নিয়ে আর রাজ্যের বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রীর মুখ খোলা উচিত নয়। তিনি যত মুখ খুলবেন তত দুর্গন্ধ বেরবে বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা।

পার্শ্ব শিক্ষকদেরও দূরবস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, পার্শ্ব শিক্ষকরা সংসার চালাতে পারছে না। তাদের ছেলে- মেয়েরা অসুস্থ হয়ে গেলে চিকিৎসা করতে পারছেন না। কেন্দ্র পার্শ্ব শিক্ষকদের যে টাকা পাঠায় সেটা কেন পার্শ্ব শিক্ষকদের পুরোটা দেওয়া হচ্ছে না? অন্যান্য রাজ্যে যে পার্শ্ব শিক্ষক আছে তাদের মাইনে দেখুন। ওড়িশার পার্শ্ব শিক্ষকদের মাইনে দেখুন এবং আমাদের এখানে পার্শ্ব শিক্ষকদের মাইনে দেখুন। কেন্দ্রের পাঠানো টাকায় তাদের মাইনে দেওয়ার কথা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের পাঠানো পার্শ্ব শিক্ষকের টাকা কেড়ে নিয়ে সবুজ সাথী ইত্যাদি সব করছে। সর্বশিক্ষা মিশনে কেন্দ্র সরকার যে টাকা দেয় সেই টাকা নষ্ট করছে রাজ্য সরকার।

আশা কর্মীদে স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে বিরাট ব্যারিকেড করে আটকানো প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, স্বাস্থ্য ভবন বাস্তিল দুর্গে পরিণত হয়েছে। এই বাস্তিল দুর্গের পতন জনগণ করবে। তিনি আশা কর্মীদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, আশা দিদিদের আমি বলছি, একত্রিত হন। ভারতের জনতা পার্টি সরকার তৈরি করুন। আপনাদের সুখ-দুঃখ সুরাহা করবে বিজেপি সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *