আমাদের ভারত, কলকাতা, ৭ ফেব্রুয়ারি: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় না এলে এই রাজ্য কাশ্মীরের মত হবে আর আমাদের অবস্থা হবে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মতো। এখানে এখন তোষণের রাজনীতি চলছে। আজ ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিয়ে কথা বলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সকলে বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক বলে অথচ তৃণমূলের হয়ে প্রচার করছেন একজন পীর সাহেব নাম ত্বহা সিদ্দিকী, আর কয়েকদিন আগে এই ব্রিগেডে বাম-কংগ্রেস জোটের সভা হয়ে গেল, সেখানেও আর এক পীর সাহেব বলছেন সিপিএম কংগ্রেসকে ভোট দিতে। আসলে সিপিএম কংগ্রেস জোট এবং তৃণমূল এখানে তোষণের রাজনীতি করছে। তারা বাংলাকে ভাগ করতে চায়। আমি তাই আপনাদের সতর্ক করে দিতে চাই, এই তৃণমূল কংগ্রেস দার্জিলিংকে সুইজারল্যান্ড করতে পারেনি, কলকাতাও লন্ডন হয়নি কিন্তু এই তৃণমূল যদি কোনওভাবে আবার ফিরে আসে তাহলে পশ্চিমবঙ্গ হবে কাশ্মীর আর কাশ্মীরে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের যে অবস্থা হয়েছিল এই এখানেও আমার এবং আপনাদেরও তাই হবে।

এদিন তিনি তৃণমূলের “ঘরের মেয়েকে চাই” নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, মাননীয়া বুদ্ধি কিনেছেন ৫০০ কোটি টাকা দিয়ে। এই টাকা কোথা থেকে এলো? এই টাকা ১০০ দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, কয়লা, বালি এবং গরু পাচারের টাকা। টাকা নিয়ে তিনি বুদ্ধি দিলেন, প্রথমে দিদিকে বল এখন সেই ফোন নম্বর বন্ধ হয়ে গেছে। তারপরে হোর্ডিং দিলেন বাংলার গর্ব মমতা। কেন তিনি বাংলার গর্ব হবেন? বর্ণপরিচয় স্রষ্টা ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নন কেন? নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নন কেন? হরেকৃষ্ণ মন্ত্রের প্রবক্তা প্রভু শ্রীচৈতন্যদেব নন কেন, হরি হরি বল এর প্রবক্তা হরিচাঁদ গুরুচাঁদ নন কেন, শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র নন কেন?। এই প্রচারে স্বামী বিবেকানন্দ হারিয়ে গেলেন। বাংলার গর্ব তিনি হতে পারেন না। আবার সেই বুদ্ধিদাতা এখন বলছেন, বাংলার মেয়েকে চাই আমি। বলছি আপনাকে কেউ বাংলার মেয়ে বলে স্বীকার করে না। আপনি অনুপ্রবেশকারীদের ফুফু আর রোহিঙ্গাদের খালা। এর পরেই তিনি বলেন এই সরকারকে তুলে ফেলতে হবে আর একে তুলে তুলে ফেলার জন্য আমরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।

