“সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করো না,” হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে সরানোর প্রসঙ্গে মন্তব্য ব্রাত্য বসুর

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম: “আমি জানি, শুনেছি। গণমাধ্যমের সামনে আমি হাইকোর্টের কোনো রায় নিয়ে মন্তব্য করি না। এটা আইনি ব্যাপার। সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করব না।” হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে শিক্ষক নিয়োগের মামলা থেকে সরানোর প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

শুক্রবার ঝাড়গ্রামের সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অবস্থিত শহিদ মাতঙ্গিনী গালর্স হোস্টেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, অ্যাকাডেমিক ভবন, সেন্টার ফর আধিবাসী স্টাডিজ এবং মিউজিয়ামের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি এখান থেকে রিমোর্টের সাহায্যে মাণিকপাড়া কলেজের বয়েজ হোস্টেলের উদ্বোধন করেন।

এদিন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয় মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প। খুবই ভালো কাজ হয়েছে। আমাদের দপ্তর থেকে যা যা করার আমরা পুরোটাই করব”। ঝাড়গ্রাম জেলার কলেজগুলি এখনও বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রয়েছে। ঝাড়গ্রামের সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আসেনি। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,”আমি সমস্যার কথা জানি। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ ভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয়ে ওঠেনি। যে মুহূর্তে হয়ে উঠবে সেই মুহূর্তে প্রক্রিয়া চালু হয়ে যাবে”।

ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজে সাঁওতালি বিভাগের জন্য অনুমোদন থাকলেও অধ্যাপকের অভাবে যা চালু করা যায়নি। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “যেহেতু সরকারি কলেজ, তাই পিএসসির মাধ্যমে খুব শীঘ্রই নিয়োগ হবে”।

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য পদে বসানোর বিষয়ে এদিন বাঁকুড়ায় রাজ্যপালের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ঝাড়গ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন,”আমি তো চাইছি উনি খতিয়ে দেখুন। মহামান্য রাজ্যপাল এতে সই করুন। নইলে বিলটা ফেরত পাঠান। এটাই বার বার বলে যাচ্ছি”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *