আমাদের ভারত, ১৭ আগস্ট:
স্বাধীনতার ৭৫ বছরপূর্তি ছিল এবছর। তাই নতুন কিছু একটা মানুষকে উপহার দিতে চেয়েছিল মোদী সরকার। সেইমতো নিজের ঘরে উত্তোলন করা জাতীয় পতাকা নিয়ে সেলফি বা ছবি তুলে হর ঘর তেরঙ্গা ওয়েবসাইটে আপলোড করার আর্জি জানিয়েছিল সংস্কৃতি মন্ত্রক। আর তাতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে।
গোটা দেশকে এক সুতোয় বাঁধার চেষ্টা ছিল এই হর ঘর তেরেঙ্গা কর্মসূচি দিয়ে। আর তাতেই মিলেছে দারুন সফলতা। কেন্দ্র সরকারের ডাকে ৬ কোটিরও বেশি মানুষ সাড়া দিয়েছেন। ওয়েবসাইটে ৬কোটির বেশি সেলফি আপলোড হয়েছে। বিষয়টিকে সাফল্যের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবৃতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রক।
কেন্দ্রের সাংস্কৃতিক মন্ত্রকের তরফ জানানো হয়েছে, গোটা দেশ এক সুরে কথা বলেছে। গোটা দেশ একসঙ্গে এই প্রচারকে সফলতা দিয়েছে। ৬ কোটির বেশি সেলফি জমা পড়বে তা ভাবতে পারেনি কেউ। গোটা দেশের মানুষ যেভাবে সাড়া দিয়েছেন এই প্রচারে, প্রতিটি ঘরের জাতীয় পতাকার রঙে রঙিন হয়েছে দেশ। স্বাধীনতার ৭৫ বছরে এ এক অনন্য সফলতা যা সত্যি হয়েছে মানুষ এগিয়ে আসার ফলে।
এ বছরের স্বাধীনতা উদযাপন কিছুটা হলেও আলাদা। এবার জাতীয় পতাকার চাহিদা ছিল তুঙ্গে। হর ঘর তেরঙ্গার জন্য জাতীয় পতাকার চাহিদা ছিল তুঙ্গে, প্রতিবছরের থেকে তা অনেকটাই বেশি। পতাকা বিক্রেতারা জানিয়েছেন জাতীয় পতাকার চাহিদা এবছর অভূতপূর্ব হারে বেড়ে ছিল। গত ১৬ বছরে এমন চাহিদা কখনো দেখেননি। ভারতীয় ডাক বিভাগ অনলাইনে জাতীয় পতাকা জোগান দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছিল। তাদের দাবি এবার সেখানেও ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছে। এই সবকিছুর নেপথ্যে ছিল সরকারের হর ঘর তেরঙ্গার উদ্যোগ।
কিছুদিন আগে একটি সার্কুলার জারি করে কর্পোরেট অফিস আফেয়ার্স মিনিস্ট্রি জানিয়েছিল, সাধারণ মানুষের মনে দেশাত্মবোধ তৈরি করতে এই অভিযান। জাতীয় পতাকা ও স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে মানুষের বোধকে আরো সচেতন করতে হর ঘর তেরাঙ্গার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সাধারণ মানুষ থেকে সেলেব সকলেই এই ডাকে সাড়া দেন। আগস্ট ১৩ তারিখ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত সমস্ত বাড়িতে পতাকা তোলা হবে। পতাকা উড়বে ঘরে ঘরে। এই প্রকল্প শুধু কথার কথা হয়ে থেমে থাকেনি। সফল হয়েছে এই কর্মসূচি। ৬ কোটির বেশি সেলফি জমা পড়া তারই প্রমাণ দেয়।

