পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ১১ অক্টোবর: ক্লাব কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙ্গে পড়লো তোরণ। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন টোটো চালক। দুমড়ে মুচড়ে গেল আস্ত টোটো। ঘটনাকে ঘিরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে হিলি-বালুরঘাট ৫১২ নং জাতীয় সড়ক। সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হিলির ত্রিমোহিনী এলাকায়। দুর্গা পুজোর পরে লক্ষ্মীপুজো পার হয়ে গেলেও অবৈধভাবে জাতীয় সড়ক দখল করে থাকা ওই তোরণগুলো কেন খোলা হয়নি তা নিয়েই স্থানীয় ক্লাবের ভূমিকায় উঠেছে প্রশ্ন।

জানাগেছে, হিলির বেশকিছু এলাকায় দুর্গাপূজা শেষে তোরণ খোলা হলেও একপ্রকার দাদাগিরি দেখিয়েই ত্রিমোহিনী এলাকায় অবৈধভাবে হিলি-বালুরঘাট ৫১২ নং জাতীয় সড়কের উপর বেশ কয়েকটি তোরণ বহাল রাখে স্থানীয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। যার জেরে একদিকে যেমন যাতায়াতের সমস্যা হচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছিলেন স্থানীয়রা। দুর্গাপুজো ও লক্ষ্মীপুজো পার হয়ে যাবার পরেও অবৈধভাবে জাতীয় সড়ক দখল করে থাকা ওই তোরণগুলো কেন খোলা হচ্ছিল না, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল স্থানীয়দের মধ্যে। এরই মাঝে সোমবার রাতের বৃষ্টিতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙ্গে পড়ে আস্ত একটি তোরণ। যে সময় ওই এলাকায় থাকা এক টোটো চালক নিজের জীবন বাঁচাতে সক্ষম হলেও দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে আস্ত টোটোটি। শুধু তাই নয়, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন আশপাশের বেশকিছু লোকজনও। পুজোর দীর্ঘদিন পরেও অবৈধভাবে জাতীয় সড়ক দখল করে থাকা স্থানীয় ক্লাবের ওই তোরণগুলো কেন খোলা হল না সে বিষয়ে ব্লক প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা।
হিলির বাহাদুরপুরের বাসিন্দা সাধন ওরাও বলেন, নিজের জীবন অল্পের জন্য বেঁচে গেছে। রাস্তার মধ্যে এভাবে দীর্ঘদিন ধরে তোরণ রেখে দেওয়ায় তার টোটোটি ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। টোটোর উপরেই তার সংসার। এখন কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না।
যদিও এব্যাপারে মুখে কুলুপ এটেছেন ক্লাবের কর্মকর্তারা।
হিলির বিডিও অমিতদেব মন্ডল জানিয়েছেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবেন।

