আমাদের ভারত, ২৩ আগস্ট: রাজ্যের ভাঁড়ার শূন্য। অভিযোগ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অধিকাংশ রাজ্যের তুলনায় ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। পুজোর অনুদান নিয়ে বিতর্ক চলছে। উদ্যোক্তা হিসাবে কেন এই সিদ্ধান্তের সমর্থক আপনি? এই প্রশ্ন রেখেছিলাম ভবানীপুর দুর্গোৎসব সমিতির সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর রায়চৌধুরীর কাছে।
১৯৬৬ সালে শুরু হয় ভবানীপুর দুর্গোৎসব সমিতির পুজো। এবার তাদের ৫৭-তম বছর। বাজেট ১০ লক্ষ টাকা। শুভঙ্করবাবুর মতে, “গোটা দেশের অন্যতম বড় এবং এ রাজ্যের সর্ববৃহৎ উৎসব দুর্গাপুজো। ইউনেস্কো এই পুজোর স্বীকৃতি দিয়েছে। ঐতিহ্যের এই তকমা ধরে রাখা উদ্যোক্তা, প্রশাসন সবারই দায়িত্ব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে এক বিপুল অর্থনৈতিক লেনদেন হয়। প্রচুর প্রান্তিক মানুষের কাছে কিছু অর্থ পৌঁছোয়। ঢাকি, ইলেকট্রিশিয়ান, ছুতোর, মৃৎশিল্পী, রঙশিল্পীদের আর্থিক উন্নতির সাথে সাথে তাদের শিল্পকে নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়।
শুভঙ্করবাবুর দাবি, “চাউমিন, ফুচকা সহ বিভিন্ন খাবার বিক্রেতারা পুজোর দিনগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে। সরকারি জনমুখী প্রকল্প যেমন প্রয়োজন, তেমনই অস্থায়ী মরশুমী আয়োজনেরও দরকার। বড় আয়োজনে সামান্য এই অর্থবরাদ্দে সরকারের খুব অসুবিধা হওয়ার কারণ নয়। সরকারের আর্থিক সহায়তা পেলে পুজোর উদ্যোক্তারা মন্ডপে মন্ডপে খিচুড়ি-ভোগ, গরিব বাচ্চাদের পোষাক নিশ্চিত করতে পারে। পিছিয়ে পড়া অনেক শিল্পী এর সুফল পান।”

