আমাদের ভারত, ২৩ ফেব্রুয়ারি: হিজাব সংক্রান্ত মামলার যতদিন না নিষ্পত্তি হচ্ছে ততদিন হিজাব সহ কোনও ধরনের ধর্মীয় পোশাক স্কুল ও কলেজে পড়া যাবে না। কিছুদিন আগেই অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছিল কর্ণাটক হাইকোর্টের তরফে। বুধবার সেই নির্দেশকেই উদ্ধৃত করে আবার কর্নাটক আদালত জানিয়ে দিলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্দেশ দিলে ইউনিফর্ম পড়তে হবে পড়ুয়াদের। তবে একই সঙ্গে জানানো হয়েছে এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র পড়ুয়াদের জন্য কার্যকরী হবে শিক্ষকদের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পোশাকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
হিজাব মামলায় আদালত সরকার ও বিবাদী পক্ষের বক্তব্য শোনে এদিন। একই সঙ্গে প্রধান বিচারপতি ঋতুরাজ অবস্তির কাছে এই বিষয়ে আরও একটি মামলা উঠেছে, যেখানে বলা হয়েছে কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পোশাক খুলতে জোর করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আদালত জানায়, আদালত যে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে তা কেবল মাত্র পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি ছাত্র ছাত্রীদের ক্ষেত্রে ইউনিফর্ম পরা নির্দেশিকা জারি করে তবে তা মানতে হবে পড়ুয়াদের।
হিজাব বিতর্কে কর্নাটকে অশান্তি ছড়ানোয় স্কুল-কলেজ সাময়িকভাবে বন্ধ করেছিল রাজ্য সরকার। আদালত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশ দেয় ও আদালত ওই দিনই জানিয়ে দেয় যতক্ষণ না বিষয়টি নিষ্পত্তি হচ্ছে ততক্ষণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব সহ কোন ধরনের ধর্মীয় পোশাক পড়ে আসা যাবে না।
প্রসঙ্গত কর্ণাটক সরকার ৫ ফেব্রুয়ারি নির্দেশিকা জারি করে শিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তারপর থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয় এই সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। আদালতে আবেদন করেন কয়েকজন মুসলিম ছাত্রী। এই মামলার শুনানি চলছে আদালতে।

