আমাদের ভারত, ২৪ জুলাই: উত্তরপ্রদেশে গাজিয়াবাদে এক মহিলার অভিযোগ তাকে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। তার দাবি, খালিদ নামে এক যুবক নিজেকে হিন্দু হিসেবে পরিচয় দিয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছিল। সম্পর্ক তৈরি করতে খালেদ দীপক নাম ব্যবহার করেছিল। পরে ওই মহিলাকে ধর্ষণ, জোর করে ধর্ম পরিবর্তন ও গো মাংস খেতে বাধ্য করেছে খালেদ বলে অভিযোগ।
২০ জুলাই উত্তরপ্রদেশের বিজয়নগর পুলিশ স্টেশনে ওই মহিলা অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে খালেদ চৌধুরীকে উত্তর প্রদেশ পুলিশ গ্রেপ্তার করতে উদ্যোগী হয়েছে। পুলিশের কাছে মহিলা যে অভিযোগ করেছেন, তাতে বলা হয়েছে দিল্লির এক মসজিদে নিয়ে গিয়ে তাকে জোর করে ধর্মান্তরিত করেছেন অভিযুক্ত খালেদ। এছাড়া তাকে গো মাংস খেতে জোর করা হয়েছে। বিজয়নগর পুলিশ স্টেশনে খালেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও বলপূর্বক ধর্মান্তকরণের অভিযোগ করা হয়েছে।
মহিলা জানিয়েছে, ২০২০ সালে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের পরিচয় ঘটেছিল। এরপর তাদের মেলামেশা শুরু হয়। জানা যায়, ওই ব্যক্তি মহিলাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিল প্রথমে। সেখানে তার পরিচয় ছিল দীপক। এরপর তাদের সম্পর্ক এগোয়। চার মাস বাদে মহিলা জানতে পরে ওই দীপকের আসল পরিচয় খালেদ চৌধুরী।
মহিলার অভিযোগ, তাকে বহুবার ধর্ষণ করেছে খালেদ। পরে ভিডিও করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে খালেদ। লাগাতার ধর্ষণের কারণে সেপ্টেম্বরে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তখনও ধর্ষণ চলে ফলে তার গর্ভস্থ সন্তানও মারা গিয়েছে। ওই নির্যাতিতার দাবি, বারবার তাকে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন খালেদ। দিল্লির নিজামউদ্দিন দরগায় নিয়ে গিয়ে তার ধর্ম পরিবর্তন করে সে। এমনকি জোর করে মহিলার কোমরে খালেদ নামের ট্যাটু আঁকিয়েছে সে। গাজিয়াবাদের পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

