আমাদের ভারত, ২১ নভেম্বর: পাকিস্তানে আবারো নির্যাতনের শিকার হলো হিন্দু। ১১ বছরের এক বালককে যৌন নির্যাতনের পর গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় পাকিস্তানের সিন্ধুপ্রদেশের হিন্দুরা আতঙ্কিত।
শুক্রবার গুরু নানকের জন্ম বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ব্যস্ত ছিলেন খিরপুরের ববারলই এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালক পরিবারের সদস্যরা। সেই সময় নিখোঁজ হয়ে যায় ওই বালক। বহু খোঁজাখুঁজির পরেও সেদিন তার খোঁজ মেলেনি। শনিবার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ওই নিখোঁজ কিশোরের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
নিহত বালক পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। তার মৃত্যুতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানিয়েছে ১১ বছরের ওই হিন্দু কিশোরকে তুলে নিয়ে গিয়ে তার ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছিল। পরে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গেছে একজন নিজের অপরাধও স্বীকার করেছে। শিশু অধিকার সংগঠনের তরফেও জানানো হয়েছে কিশোরটির দেহে অত্যাচারের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।
পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচার কোনো নতুন ঘটনা নয়। কখনও তাদের ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, কখনো মহিলাদের উপর অকথ্য নির্যাতন চলেছে। দিন কয়েক আগেই এলাকার এক নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। নাবালিকাকে খুঁজে দিলে ২৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হলেও তার হদিশ মেলেনি। একের পর এক এই ধরনের ঘটনার ফলে আতঙ্কিত এলাকাবাসীকে নিজেকে ঘরবন্দি করে ফেলেছে।

