সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২৯ মার্চ: ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর খুনের মামলায় কেস ডায়রি তলব হাইকোর্টের। আগামী শুক্রবার কেস ডায়রি চেয়ে পাঠাল আদালত। পাশাপাশি তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল আদালত। পরিবারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবেন পুলিশ সুপার। পরিবারের অভিযোগ গ্রহণ করেনি ঝালদা থানা। প্রাথমিকভাবে আদালত মনে করছে যে পুলিশের এই আচরণে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে।
যদিও মামলার এই পর্যায়ে এখনই সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন আছে বলে মনে করছে না আদালত।
আজ মামলাকারি নিহতের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু বলেন, “পুরভোটে জয়ের পর থেকেই স্বামীকে (তপন কান্দু) তৃণমূলে যোগদানের জন্য বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছিল।
আইসি নিজে এই চাপ সৃষ্টি করছিলেন। ১৩ মার্চ সন্ধ্যা নাগাদ তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে সামান্য দূরেই পুলিশ নাকা ছিল, পুলিশের গাড়ি ছিল। তারা তপন কান্দুকে হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যায়নি। ঝালদা থানা পরিবারের এফ আই আর করেনি।
পরে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করলেও সেই অভিযোগ এখনো বিবেচনাধীন রয়েছে। পুলিশ নিজে থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে মামলা শুরু করে। এই ঘটনায় আইসিও জড়িত আছে। আগে তপন কান্দু নিজে আইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল। তপন কান্দুর ভাইপোর গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়নি। আইসি এখনো বহাল তবিয়তে কাজ করছেন। কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

