আমাদের ভারত, ২৫ জুন: নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকিয়ে এক বিবাহ বিচ্ছিন্না হিন্দু মহিলাকে বিয়ে করে এক মুসলিম ব্যক্তি। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই ওই হিন্দু মহিলাকে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিতে শুরু করে সে। কিন্তু ওই মহিলা তাতে রাজি না হলে তার আগের পক্ষের নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি বলে অভিযোগ। ঘটনা লখনৌয়ের।
পুলিশ সম্প্রতি ইমরান খান নামে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। লখনৌ পুলিশের ডিসি (উত্তর) দেবেশ পান্ডে জানিয়েছেন ইমরান নিজের নাম ও ধর্মীয় পরিচয় লুকিয়ে বছর ৩৫-র ওই বিবাহ বিচ্ছিন্ন মহিলার সঙ্গে আলাপ করেছিল। নিজের ইমরান খান পরিচয়ের বদলে ওই মহিলার কাছে এসে সঞ্জয় চৌহান হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। কিছুদিন তাদের প্রেমের সম্পর্ক চলার পর তারা বিয়ে করেন।
ডিসি বলেন, বিয়ের কিছুদিন পরেই ইমরান তার ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করে স্ত্রীর কাছে। একইসঙ্গে বিবাহিত ওই হিন্দু মহিলাকে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিতে থাকে। ওই মহিলা ধর্ম পরিবর্তনে অসম্মত হওয়ায় তার নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করে ইমরান। ধৃত ইমরানের কাছ থেকে ভুয়া ভোটার পরিচয় পত্র উদ্ধার হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
মেয়েদের বিয়ের অছিলায় ধর্মান্তকরণ আটকাতে গত বছরই আইন প্রণয়ন করেছে যোগী সরকার। সেই আইনে বেশ কয়েকজন ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। মাস তিনেক আগে গোরক্ষপুরের মইনুদ্দিন নামে এক যুবকও এই একই আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।

