Sukanta, BJP, TMC, ওনার নামই হয়ে যাবে ধর্না দিদি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ সুকান্ত মজুমদারের

আমাদের ভারত, ৩ মার্চ: এস আই আর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ধর্নায় বসতে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চুড়ান্ত কটাক্ষ করেছেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামই ধর্না দিদি হয়ে যাবে।

তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ৬ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেট্রো চ্যানেলে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছেন। তিনি ওই দিন থেকে অবস্থান-বিক্ষোভ এবং ধর্ণায় বসবেন। শনিবার ভোটার তালিকা প্রথম দফা প্রকাশ হবার পর দেখা গেছে ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।পাশাপাশি ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের নাম অন্যায় ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। এরই প্রতিবাদে ধর্নায় বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই প্রসঙ্গেই রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, বিজেপি সরকার গঠিত হলে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হবে। আর তার জন্য মাঝে মাঝেই ওনাকে ধর্না দিতে হবে গন্ধাী মূর্তির পাদদেশে। এরপর থেকে ওনার নামই হয়ে যাবে ধর্না দিদি। ওনার জন্য একটা ধর্না স্থল আমরা বানিয়ে দেবো, ভালো করে শ্বেত পাথর দিয়ে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। তাঁর আরো কটাক্ষ, দিদি অভ্যাস করে নিচ্ছেন। এরপর তো বিরোধী দলনেত্রী হতে হবে, যদি উনি রাজনীতিতে থাকেন।

এস আই আর নিয়ে কংগ্রেসের বিরোধিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কংগ্রেস কী করবে তা কংগ্রেসের বিষয়। ও ছাগলের তৃতীয় সন্তান। যেদিকে যাবে লোকের লাথি খাবে। এর থেকে বেশি তো কিছু হবে না। ভোট বয়কট করবে, না হয় ভোটে লড়ে হারবে। দুটোর মানে একই হয়। এর বেশি কী হবে। তাঁর প্রশ্ন, যদি ওনাদের আপত্তি থাকে তাহলে কোর্টে যাননি কেন? কোর্টে যাওয়া উচিত ছিল।

এস আই আর আতঙ্কে মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের বলে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের। পাল্টা প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, যারা মারা গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে তাদের ডেথ সার্টিফিকেটটা কোথায়? ডিএম-রা বলছে কেউ এসআইআর- এ মারা যায়নি। কোনো রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনকে তারা পাঠায়নি যে এরা এসআইআর-এর জন্য মারা গেছে। তৃণমূল সরকার যাদেরকে চাকরি দেবে সবাই বলবে আমাদের পরিবারের সদস্যরা এস আই আর- এ মারা গেছে। তাহলে এই ক’দিনে যারা মারা গেছে তাদের সবার দাবি করা উচিত আমাদের পরিবারের সবাই এস আই আর- এ মারা গেছে। সবাইকে চাকরি দেওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *