আমাদের ভারত, হুগলী, ১৪ আগস্ট: পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন ঘিরে উত্তপ্ত খানাকুল। ইঁট বৃষ্টির পাশাপাশি ভাঙ্গচুর করা হলো পুলিশের গাড়ি। পাল্টা পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ। ঘটনা খানাকুলের ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির।
ওই পঞ্চায়েত সমিতিতে সংখ্যা গোরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করে বিজেপি। মোট ৩৩টি আসনের মধ্যে তৃণমূল জয়ী হয় ১৫টি আসনে, বাকি ১৮টির দখল নেয় বিজেপি। সেই কারণে এদিন সকাল থেকে বোর্ড গঠনে পঞ্চায়েত সমিতির অফিস চত্বরে জমায়েত হয় প্রচুর বিজেপি কর্মী সমর্থক। ঘটনার সূত্রপাত, ব্লক অফিসে একটি অচেনা গাড়ি ঢোকাকে কেন্দ্র করে। অচেনা গাড়ি দেখে হঠাৎ চড়াও হয় বিজেপি কর্মীরা। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করতেই পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠে। উল্টে, পুলিশের উপর হামলা চালায় বিজেপি সমর্থকরা বলে অভিযোগ। ইট ছোড়া হয় পুলিশকে লক্ষ্য করে। ভাঙ্গচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি ও বাইক। সংবাদ মাধ্যমকেও ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বাধ্য হয়েই পিছু হটতে হয় পুলিশকে।
বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল অশান্তি করার জন্য সকাল থেকে সন্ত্রাস চালায় এলাকায়। এরপর সমিতির বোর্ড গঠনের সময় তৃণমূলের লোকজন বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় এবং ব্যাপক মারধর করে। বিজেপি কর্মীদের আরো অভিযোগ, তৃণমূল পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে। পুলিশের সামনেই আমাদের কর্মীদের বেধরক মারধর করা হয়। পুলিশ আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূলের পাশে মানুষজন নেই। মানুষজন না থাকায় তৃণমূল পুলিশকে ময়দানে নামিয়ে কাজ করছে। আমাদের বেশ কিছু কর্মী আহত হয়েছে, তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবশেষে আমরাই বোর্ড গঠন করেছি
এই ঘটনায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে সব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। তৃণমূলের দাবি, বিজেপিরা জিতেছে বলেই আমাদের কর্মীদের ওপর মারধরের অভিযোগ তুলেছে।

