আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ৯ মার্চ: “মানুষ রাজনীতি করতে আসেন দুটি কারণে। এক আদর্শগত কারণে, দ্বিতীয় কিছু পাব ভেবে। আর কেউ কেউ রাজনীতিটাকে ব্যবসায় পরিণত করতে চায়। যখন দেখে দল তাদের স্বরূপ ধরে ফেলেছে, তখন তারা দল পরিবর্তন করে”। তারাপীঠে পুজো দিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী সহ দলত্যাগীদের উদ্দেশ্যে এমনই মন্তব্য করেন প্রাক্তন মন্ত্রী, মধ্য হাওড়া কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক অরূপ রায়।

মঙ্গলবার সকালে তারাপীঠে পুজো দিতে আসেন অরূপ রায়। পুজো দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফের মমতাই তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে দাবি করেন। দলের ভাঙন এবং একের পর এক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান স্বার্থের জন্য, বলে মনে করেন তিনি। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে বৈশালী ডালমিয়া কিংবা মিঠুন চক্রবর্তীদের দলত্যাগ প্রসঙ্গে অরূপবাবু বলেন, “রাজনীতিতে যারা আসেন তারা নীতি আদর্শ নিয়ে আসেন। এখন টিকিট না পেয়ে বাহানা করে দল ছাড়ছেন। জটু লাহিড়ীকে চারবার বিধানসভার টিকিট দেওয়া হয়েছিল একবার হাওড়া কর্পোরেশনের টিকিট দেওয়া হয়েছিল। এখন ৮৮ বছর বয়স। করোনার কারণে দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে কাউকে প্রার্থী করা হবে না। এই কারণে তাকে টিকিট দেওয়া হয়নি। তবে তাদের সম্মানজনক জায়গায় রাখার কথা বলা হয়েছিল। তারপরও তারা তাদের নীতি আদর্শ বিসর্জন দিয়ে কিভাবে একটা সাম্প্রদায়িক দলে যোগ দেয় এটা আমাদের কাছে লজ্জাজনক। যারা নিজের স্বার্থে অন্য দলে যায় তাদের মানুষ কখনও ক্ষমা করে না। মানুষ একটা নীতিবান, আদর্শবান মানুষকে পছন্দ করে। মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো ছিল। কিন্তু কেন উনি দলত্যাগ করলেন উনিই বলতে পারবেন”। অরূপবাবুর দাবি, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জিতবেন। আগামী পাঁচ বছর নয়, মমতা চাইলে ২৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকবেন।


