জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ৩ আগস্ট: রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে ব্যাঙ্কে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে উপভোক্তাদের। এর সুরাহা পেতে মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা শাসকের কার্যালয়ে জেলার সমস্ত ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা, হুমায়ুন কবীর, শিউলি সাহা, শ্রীকান্ত মাহাতো।
বৈঠক শেষে মানসবাবু জানান, বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা সহ সমস্ত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের টাকা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে উপভোক্তাদের কাছে পাঠানো হয়। এই জেলার ব্যাঙ্কগুলি নানা ভাবে মানুষকে দুর্ভোগে ফেলছে। পাশবই আপডেট হচ্ছে না। আইএফএসসি কোড দেওয়া হচ্ছে না। আধার কার্ড লিঙ্ক করা হচ্ছে না। রোদে জলে ঘন্টার পর ঘন্টা গ্রাহকদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে চালু হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’। এতে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ঢুকবে। ব্যাঙ্কগুলি এখন থেকে এবিষয়ে উদ্যোগী না হলে মহিলারা টাকা পেতে হয়রানির শিকার হবেন।

এদিন ক্রেডিট ডিপোজিট রেশিও কম নিয়েও ব্যাঙ্ক গুলিকে তোপ দাগেন মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা। তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, এই রাজ্যে ব্যাঙ্কগুলিতে গ্রাহকদের জমার পরিমাণ ২৫৬১৭ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা অথচ ঋণ দেওয়া হয়েছে মাত্র ১১১১০ কোটি ৩ লক্ষ টাকা। মাত্র ৪৩.৩৩ শতাংশ। যা দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেক কম। কৃষি ক্ষেত্রে ঋণ দেওয়া হয়েছে ৫৪ শতাংশ। ক্ষুদ্র মাঝারি ও কুটির শিল্পে ঋণ দেওয়া হয়েছে ৪১ শতাংশ।

