“সকলকে জানাই হ্যাপি বাসভোগান্তি দিবস”, সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ যাত্রীদের

আমাদের ভারত, ২১ জুলাই: ২১ শের সমাবেশের জন্য বুধবার সন্ধে থেকেই মহানগরীর রাস্তাঘাট থেকে উধাও হতে থাকে গণপরিবহণ। বৃহস্পতিবার বাস-মিনিবাস না পেয়ে ভোগান্তি হয় যাত্রীদের। এই অবস্থায় সামাজিক মাধ্যমে ফুটে উঠেছে তাঁদের ক্ষোভ।

হাওড়ার বাসিন্দা প্রসেনজিৎ সেনগুপ্ত লিখেছেন, “সকলকে জানাই হ্যাপি বাস ভোগান্তি দিবস।” প্রতিক্রিয়ায় শ্রীময়ী সেনগুপ্ত লিখেছেন, “শুধু বাস? সব ভোগান্তি!” অনুশ্রী পাল লিখেছেন, “আর ট্রেনে ভিড় ভোগান্তি। সেটাও আছে কিন্তু!”

বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সভার দিন কলকাতার রাস্তা থেকে বেসরকারি বাস-মিনিবাস কার্যত উধাও হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আগেই তৈরি হয়েছিল। দু’বছর পরে এ বার ধর্মতলায় পুরনো রীতি মেনে সভা করছে শাসক দল। সমাবেশে লোক আনতে কলকাতা ছাড়াও দুই ২৪ পরগনা এবং হাওড়ায় অধিকাংশ রুটে প্রায় ১০০ শতাংশ বেসরকারি বাস ভাড়া নেওয়া হয়েছে। বাসমালিক সংগঠনের নেতা জানান, বুধবার বিকেল থেকেই বহু রুটের বাস ট্রিপ সম্পূর্ণ করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে অপেক্ষায় থেকেছে।

গত দু’দিন ধরে উত্তরবঙ্গ থেকে ট্রেনে কলকাতা স্টেশনে পৌঁছেছেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের স্টেশন থেকে আনার জন্য লেক টাউন-ঢাকুরিয়া ও নাগেরবাজার-হাওড়া রুটের বহু বাস নেওয়া হয়। প্রায় সব বাস নেওয়া হয়েছে উত্তর শহরতলির কামারহাটি, দক্ষিণেশ্বর, ব্যারাকপুর, মধ্যমগ্রাম, নাগেরবাজার এলাকার বিভিন্ন রুটের। রাজারহাট, নিউ টাউন, বাগুইআটির বিভিন্ন রুট কার্যত বাস-শূন্য। দক্ষিণেও বেহালা, আমতলা, জোকা, সোনারপুর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় সব রুটের বাস নেওয়া হয়। একমাত্র মিনিবাস নেওয়া হয়েছে কম। ‘সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিস’-এর সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহা বলেন, ‘‘বাস মালিকদের তেল এবং ভাড়ার টাকা অগ্রিম দিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজারহাট-নিউ টাউন রুটে কার্যত কোনও বাস নেই।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *