‘রাজ্যপাল দিল্লি গেছেন মুক্ত বাতাস নিতে,’ কেন একথা বললেন দিলীপ ঘোষ?

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১০ জুয়াই: রাজনৈতিক দূষণ থেকে বাঁচতে দিল্লি গেছেন রাজ্যপাল। সেখানে গিয়ে তিনি মুক্ত বাতাস নেএন। রাজ্যপালের দিল্লি যাওয়া প্রসঙ্গে এভাবেই রহস্য রেখে উত্তর দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, রাজ্যপাল তো দিল্লি গেলেন, কিন্তু রাজ্যের মানুষ কোথায় যাবে?

ভোট পর্ব মিটতেই গতকালই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দিল্লি গেছেন। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। ভোটপর্বে তিনি সন্ত্রাস কবলিত বিভিন্ন এলাকায় গেছেন, মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভোটের দিনও তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদ থেকে বারাসত বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তৈরি করেছেন তার গোপন রিপোর্ট। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, সেই গোপন রিপোর্ট নিয়েই দিল্লি গেছেন রাজ্যপাল। আজ এই ব্যাপারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “শনিবার ভোটের দিন রাজনৈতিক দূষণ হয়েছে। এই দূষণ থেকে সবাই মুক্তি চাইছে। রাজ্যের মানুষও চাইছে। রাজ্যপালও চাইছে। এই দূষণ থেকে মুক্তি পেতে রাজ্যপাল দিল্লি গেছেন।” পাশাপাশি তিনি প্রশ্নের সুরে বলেন, রাজ্যপাল তো দিল্লি চলে গেলেন। রাজ্যের মানুষ কোথায় যাবে?

রাজ্যপালের দিল্লি যাত্রার সঙ্গে কি ৩৫৬ বা ৩৫৫ ধারা প্রয়োগের কোনো সম্পর্ক আছে? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপবাবু বলেন, “রাজ্যপাল দিল্লি যাওয়ায়
ভয় পাচ্ছে তৃণমূল। গোটা বিষয় ওদের হাতের বাইরে চলে গেছে। রাজ্যের মানুষ ত্রাহি ত্রাহি করে মুক্তি চাইছে। গোটা দেশ, গোটা বিশ্ব সেদিন (ভোটের দিন) দেখেছে, কি হয়েছে। এরপর এই সরকারের থাকার কোনো এক্তিয়ার নেই। প্রয়োজনও নেই। কিন্তু যেহেতু গণতান্ত্রিক ভাবে এসেছে, যাওয়াও সেভাবেই উচিৎ।” গণতান্ত্রিক ভাবেই এই সকারের যাওয়া উচিৎ, এই কথা বললেও পরক্ষণেই দিলীপবাবু বলেন, “কিন্তু ততদিন এরা থাকলে বাংলার সর্বনাশ হয়ে যাবে।” তাহলে কি রাজ্যে ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ হতে পারে? এই প্রশ্নের অবশ্য সরাসরি কোনও উত্তর দেননি দিলীপবাবু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *