সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৯ ফেব্রুয়ারি: ছোট্ট ছেলে। বয়স মাত্র ১১ বছর। অথচ তার এই নিষ্পাপ চেহারার সুযোগ নিয়েই তাকে কাজে লাগানো হল সোনা পাচারে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, তাকে এই কাজে লাগিয়েছে তার বাবারই পরিচিত কেউ। শনিবার সকালে এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায়।

নিষ্পাপ চেহাড়াকে কাজে লাগিয়ে সোনা পাচারের ষড়যন্ত্র অবশ্য শেষমেশ ব্যর্থই হয়েছে। আর তাতেই সামনে এসেছে সমাজের এমন একটি নির্মম অবক্ষয়ের ছবি। ওই বালকের কোমরে বাঁধা গামছা থেকে উদ্ধার হয় ১১ টি সোনার বিস্কুট। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৬৯ লক্ষ টাকা। সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর আধিকারিক জানিয়েছেন, এদিন সকালে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার মধুপুরে কাঁটাতারের ওপারে মাছ ধরতে গিয়েছিল ওই বালক, আর তার বাবা। মাছ ধরে ফিরে আসার সময় সীমান্তের জওয়ানদের বালকটিকে দেখে সন্দেহ হয়। এরপর তাঁকে আটক করতেই কমরে বাঁধা গামছা খুলতেই উদ্ধার হয় ১১ টি সোনার বিস্কুট। নিমেষের মধ্যে ওই বালকের বাবা পালিয়ে যায়।

বিএসএফ আধিকারিক জানান, বাগদার ১৫৮ নং ব্যাটালিয়নের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মধুপুরের জওয়ানরা নিয়মমাফিক টহল দিচ্ছিলেন। ছেলেটি তার বাবার সঙ্গে কাঁটাতার পেরিয়ে জমি চাষ ও মাছ ধরতে গিয়েছিল। ফেরার পথে ছেলেটিকে দেখে সন্দেহ হয় জওয়ানদের। তখনই জিজ্ঞাসাবাদ করে তার কাছে পাওয়া যায় সোনার বিস্কুট। যার ওজন ১ কেজি ২৬৫.৯৯ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য ৬৯ লক্ষ টাকা। ধরা পড়া বালক উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দা। উদ্ধার করা সোনা কাস্টমসের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ।

