কুমারেশ রায়, আমাদের, ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৫ আগস্ট: ডাস্টবিন রয়েছে এবং আবর্জনা সংগ্রহের গাড়ি আসা সত্ত্বেও যেখানে সেখানে আবর্জনা ফেলে রাখায় ক্ষুব্ধ মহকুমাশাসক বেশ কিছু নার্সিংহোম এবং ওষুধের দোকানদারকে সতর্ক করলেন। ক্ষুব্ধ মহকুমা শাসক জানিয়েদেন, পরবর্তীকালে যদি এরকম দৃশ্য দেখা যায় তাহলে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে সাফাই অভিযানে বেরিয়েছিলেন ঘাটালের মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস। তিনি দেখেন, রাস্তাঘাটে, গলির মধ্যে আবর্জনার স্তুপ হয়ে আছে। বেশকিছু নার্সিংহোম এবং ওষুধ দোকান নিয়মকানুন না মেনে মেডিকেল বর্জ্য পদার্থ যেখানে-সেখানে ফেলে রেখেছে। সবমিলিয়ে মহকুমা শাসক কড়া সতর্কবার্তা দেন, যাতে নির্দিষ্ট জায়গায় আবর্জনা ফেলা হয়। প্রয়োজনে মহকুমা শাসক নিজে পরিদর্শন করবেন বলে জানান।

ডাস্টবিনে নোংরা ফেলা হচ্ছে না, রাস্তায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ পৌরসভার গাড়ি আসে আবর্জনা নেওয়ার জন্য। তিনি বলেন, প্লাস্টিক, বায়ো-ডিগ্রেডেবল নয় যা সেগুলো ধ্বংস হয় না এবং এগুলো কারসিনোজেনিক অর্থাৎ ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। ঘাটালের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন ,প্লাস্টিক জনিত কারনে যেন ড্রেনের মুখ আটকে না যায় কারণ ঘাটাল নিচু এলাকা।
মানুষের স্বভাব পরিবর্তন না হলে আমরা একদিন দুদিন বেরিয়ে কিছু করতে পারব না। মহকুমা শাসক ক্ষোভের সাথে বলেন, অনেক বড় বড় তিন চার তলা বাড়ি থেকে আবর্জনা রাস্তায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। আবর্জনা ডাস্টবিনে অথবা পৌরসভার গাড়ি এলে তাতে ফেলার আবেদন করেন মহকুমা শাসক।
তিনি বলেন, এই বিষয় শহরের বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে, এটা আমরা বাইরে থেকে এসে করতে পারব না।
সবমিলিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধে এবং ঘাটাল শহরকে আবর্জনা মুক্ত করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দেওয়ার উদ্যোগ নিলেন মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস।

