কুমারেশ রায়, মেদিনীপুর, ১৯ জুন:
ঘূর্ণাবর্ত এবং মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির জেরে ঘাটালে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
ঘাটালের মনসুকা নদীর জলের তোড়ে ভেঙ্গে গিয়েছে লোহার সাঁকো। দীর্ঘ গ্রাম সহ পাশাপাশি গ্রামগুলি প্লাবিত হয়েছে।
শুক্রবার ওই এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন ঘাটাল মহকুমা শাসক সৌভিক চট্টোপাধ্যায়। ঘাটাল ব্লকল বিডিও সঞ্জীব দাস। বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, কোনও গর্ভবতী মহিলাকে যদি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয় সেজন্য এনডিআরএফ প্রস্তুত আছে। এছাড়াও গ্রাম পঞ্চায়েতকে ত্রিপল এবং চাল, পানীয় জল দেওয়া আছে ত্রাণের জন্য। প্রয়োজনে রান্না করা খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হতে পারে বলে জানান। ব্লক প্রশাসন এবং পঞ্চায়েত প্রস্তুত আছে, পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। এখনো পর্যন্ত ত্রাণশিবিরে কাউকে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি। এখনো পর্যন্ত নদীতে নৌকো দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান বিডিও। তিনি বলেন, বিকেলের দিকে আমরা ভুটভুটি দেব আটকে পড়া মানুষজনকে নিয়ে আসার জন্য।

এর আগেও বন্যা হয়েছে কিন্তু ঝুমি নদী এভাবে ফুলে-ফেঁপে ওঠেনি বলে গ্রামবাসীরা জানান। এনডিআরএফের আধিকারীক রাকেশ কুমার বলেন, আমরা প্রস্তুত আছি যে কোনও পরিস্থিতির জন্য। সাপে কাটা, গর্ভবতী মহিলাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য তৈরী আছে আমাদের টিম। অন্যদিকে গতরাতে মনসুকার ঝুমি নদীতে ধস নেমে জল ঢুকতে শুরু করলে গ্রামবাসীরা ধস মেরামতে হাত লাগান। আজ সকালেও বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে।

