আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ১৮ জুলাই: প্রায় এক মাস চিকিৎসার জন্য তিনি দিল্লি ছিলেন। শনিবার ফিরলেও চিকিৎসকরা তাকে বিশ্রামে থাকতে বলেছে। তাই এখনই তিনি পুরনিগম যাচ্ছে না। কিন্তু বেশ কিছু কাজ আটকে থাকায় সোমবার বাড়িতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল স্বাক্ষর করেন। মেয়র গৌতম দেব বলেন, “২৫ জুলাই মেয়র পারিষদ বৈঠক রয়েছে ওইদিন পুরনিগমে যাচ্ছি।”
শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নির্বাচনের আগেই তিনি চিকিৎসার জন্য শহর ছেড়েছিলেন। প্রায় একমাস তিনি দিল্লিতে চিকিৎসা করান। কিন্তু চিকিৎসা করালেও সেখান থেকেই টেলিফোনে সবসময় পুরকমিশনার সহ সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন। শহরে যখন একহাঁটু জল জমে যায় একনাগাড়ে মুষলধারে বৃষ্টির জেরে। তখন তিনি দিল্লি থেকেই মনিটরিং করেছিলেন। অর্থাৎ শারীরিক ভাবে উপস্থিত না থাকলেও দিল্লিতে বসেই শহরের জন্য কাজ করে গিয়েছেন। শুধু তাই নয় দিল্লিতে একের পর এক বৈঠক করেছেন। সেন্ট্রাল ভ্যালুয়েশন বোর্ডের চেয়ারম্যান, টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর পি আর মেহেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে কথা বলেন। ফিরহাদ হাকিম একটা বৈঠক করতে চেয়েছেন পুরনিগমের সঙ্গে। এর বাইরে হাইড্রেন, নিকাশি ব্যবস্থা নিয়েও বৈঠক করেছেন। এদিকে বেশ কিছু জরুরি ফাইল তার স্বাক্ষরের জন্য আটকে ছিল। সোমবার তা স্বাক্ষর করার পাশাপাশি কমিশনার সোনম ওয়াংদি ভুটিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন।
মেয়র গৌতম দেব বলেন, “আমি না থাকলেও শহরের কাজ আটকে যায়নি। আমরা একটা দল হিসেবে কাজ করি। আর আমি তো টেলিফোনে যোগাযোগ রেখেইছিলাম কমিশনার ও সচিবের সঙ্গে। এবার ২৫ জুলাই পুরনিগমে যাবো মেয়র পারিষদ বৈঠকে যোগ দেবো। ওইদিন আবার সেন্ট্রাল ভ্যালুয়েশনেরও একটি বৈঠক রয়েছে সেটাও করব। অবশ্যই সকলের সঙ্গে দেখাও করব।”

