রামপুরহাট হাসপাতালে আবর্জনা, ক্ষুব্ধ তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি ধমক দিলেন আধিকারিককে

আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ৭ সেপ্টেম্বর: হাসপাতালের মধ্যে আবর্জনার স্তুপ। পরিদর্শনে গিয়ে আবর্জনা দেখে এক আধিকারিককে ধমক দিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি ফায়েজুল হক ওরফে কাজল। হাসপাতালের সাফাইয়ের কাজে যুক্ত এজেন্সির লোকেদের ডেকেও ধমক দেন সভাধিপতি। বেশ কয়েকজন রোগীর মৃত্যু নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চান তিনি। হাসপাতাল ছেড়ে যাওয়ার আগে ফের পরিদর্শনে আসার কথা জানিয়ে যান ফায়েজুল হক।

বৃহস্পতিবার বীরভূমের নলহাটি ১ এবং ২ নম্বর ব্লকের দুটি সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন জেলা পরিষদের সভাধিপতি ফায়েজুল হক ওরফে কাজল। নিজের বাড়ি নানুরে ফেরার পথে সন্ধ্যায় হাজির হন রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করার সময় কথা বলে রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে। তাদের অভাব অভিযোগ শোনেন। হাসপাতালের পাখা ঘোরে না, বেডের সংখ্যা কম, বিনা চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর মতো অভিযোগ করেন রোগী ও তাদের আত্মীয়রা। এরপরেই হাসপাতালের অতিরিক্ত মেডিক্যাল সুপারিন্টেনডেন্ট ঈশ্বর চট্টোপাধ্যায়ের চেম্বারে ঢোকেন কাজলবাবু। কাজলবাবু প্রথমেই জানতে চান হাসপাতালের মধ্যে এতো আবর্জনা কেন? বহুদিন ধরে ওই আবর্জনা জমে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এরপরেই সুপারিন্টেনডেন্টের কথা মতো এজেন্সির লোকজনদের ডেকে পাঠিয়ে হাসপাতাল পরিস্কার রাখার নির্দেশ দেন। চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সভাধিপতি।

সুপারিন্টেনডেন্ট জানান, রোগীর চাপ রয়েছে যথেষ্ট। সেই তুলনায় চিকিৎসক নেই, পরে সাংবাদিকদের কাজল বলেন, “হাসপাতালে নোংরা জমে রয়েছে। আমি হাসপাতাল সর্বদা পরিস্কার রাখার কথা বলেছি। হাসপাতালের আই সি সি ইউ বেড বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতিতে বহু সদর্থক ভূমিকা নিয়েছেন। সকলকে এগিয়ে এসে রোগীদের পাশে দাঁড়াতে হবে। চিকিৎসকদেরও আরও বেশি সময় দিতে হবে। কারন চিকিৎসকরা আমাদের কাছে ভগবানের সমান। মানুষের প্রাণ বাঁচানোই উনাদের কাজ। এখানে রোগীর চাপ রয়েছে। এই দেখে গেলাম। আবারও আসব”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *