জয় লাহা, দুর্গাপুর, ৬ আগস্ট: কার্বাইডে নিষেধাজ্ঞা। দরজা বন্ধ রেখে অবাধে চলে কেমিক্যাল দিয়ে ফল পাকানো। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে কাঁকসার পানাগড়ে এক আড়তদারের বিরুদ্ধে। ঘটনার খবর চাউর হতে রীতিমতো শোরগোল পড়েছে এলাকাজুড়ে।
ঘটনার অভিযোগে জানা গেছে, গত কয়েকমাস আগে কাঁকসার পানাগড় গ্রাম এলাকায় একটি ফলের আড়ত তৈরী হয়েছে। বিশাল তার গোডাউন। এরাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও ভিন রাজ্য থেকে নানান মরশুমি ফল আসে। অভিযোগ ওইসব ফলে দ্রুত পাকানো ও নজরকাড়া রং আনার জন্য এক ধরনের কেমিক্যাল ব্যাবহার করা হয়। সম্প্রতি বিষয়টি নজরে আসতেই সরব হয় পানাগড় নাগরিক মঞ্চ। নাগরিক মঞ্চের পক্ষ থেকে স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নাগরিক মঞ্চ জানিয়েছেন,” সন্ধ্যার পর মূলত ওইসব ফলের মধ্যে কেমিক্যাল স্প্রে করা হয়। গোডাউনে বাইরের কোনও লোকজন যাওয়ায় কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বড় বড় হরপে তার নিষেধাজ্ঞার বোর্ড টাঙিয়ে রেখেছে। নাগরিক মঞ্চ দাবি করেন,” কিসের এত গোপনীয়তা? ক্ষতিকারক কেমিক্যাল দিয়ে ফল পাকানোর জন্য গোপনে এধরনের কাজ করছে। ভোর হতেই ওইসব ফল প্যাকেট বন্দি হয়ে পানাগড়, বুদবুদ, গলসি, ইলামবাজারের মতো বাজারে চলে যাচ্ছে। মূলত সম্প্রতি হলুদ রংয়ের কলা এখান থেকে জোগান যাচ্ছে। মানুষের শরীরে এধরনের ক্ষতিকারক বিষ যাতে না যায়, তাই প্রশাসনের কাছে জানানো হয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করুক।”
যদিও দুর্গাপুর ফুড সেফটি আধিকারিক কল্পনা যাদব জানান,” এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে লিখিত কোনও অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ আসলে অবশ্যই বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।”
কাঁকসা বিডিও সুদীপ্ত ভট্টাচার্য জানান,” অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি পুলিশকে তদন্ত করে দেখতে বলেছি।”

