আমাদের ভারত, ২১ জুলাই: তাঁরা বেসরকারি বাস-মিনিবাসের মালিক। কিন্তু মেলা থেকে খেলা, রাজনৈতিক সমাবেশে তাঁদের মত বা অনুমতির তোয়াক্কা না করেই বাস নেওয়া হয়। অন্তত অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই হাল। অনুযোগ করলেন জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে বাসশিল্পের সঙ্গে যুক্ত তপনবাবু। বৃহস্পতিবার তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, “পশ্চিম বাংলায় পরম্পরা হিসাবে কোনও রাজনৈতিক সমাবেশ হলে বেসরকারি বাস আগে রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হয়। টাকাপয়সা রাজনৈতিক দলের উপর নির্ভর করে। কত দেবে, সেখানে বাস মালিক বা সংগঠনের কোনও ভূমিকা নেই। বেশিরভাগ সময় লোকসান স্বীকার করে বাস দিতে হয়। এখানে কোনও নির্দিষ্ট হার নেই। কোনও বাস মালিক যদি কোনও রাজনৈতিক দলকে সন্তুষ্ট করার জন্য বাস দেন, সেটা তাঁর নিজের ব্যাপার।
আজ কলকাতা সহ রাজ্যের একধিক জেলা থেকে বহু বাস ২১শে জুলাইয়ের সমাবেশে এসেছে। মূলত কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনায় বাস নেই বললেই চলে। এমনিতেই বর্তমান বাসের সংখ্যা অনেক কম। এক দিকে অনেক শ্রমিক আজ সমাবেশে আসে। আর ৯০ শতাংশ বাস সমাবেশে নেওয়া হয়েছে। দুর্ভোগ মানুষের আর বাস মালিকদের।
যখন যে শাসক দল থাকে শ্রমিক ইউনিয়ন তাদের হয়। বাস স্ট্যান্ডে থাকে। সুতরাং তারাই ঠিক করে কত বাস সমাবেশের জন্য নেবে। রাজ্যে মেলা থেকে খেলা, মহরম, পূজা, হোলি রাজনৈতিক সমাবেশে ও সর্বপরি সব নির্বাচনে বেসরকারি বাস নেওয়া হয়। তারপরও আমরা অবহেলিত।”

