Devdutta maji, Singha Bahini, হাওড়া থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, একের পর এক নির্যাতনের শিকার হিন্দুদের পাশে দাঁড়ালেন সিংহ বাহিনীর দেবদত্ত মাজি

আমাদের ভারত,১১ ডিসেম্বর: বিধানসভা নির্বাচন প্রায় দৌড়ে গোড়ায়। তার আগে দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক এলাকায় নানা ধরনের অস্থিরতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েকদিনে হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণার একের পর এক ঘটনা ঘটেছে। যাতে স্থানীয় হিন্দুরা এবং তাদের ভাবাদর্শ আঘাত পেয়েছে। এই সব হিন্দুদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি নেতা তথা সিংহ বাহিনীর প্রধান নেতা দেবদত্ত মাজি।

কোথাও হিন্দুদের মন্দির ক্লাবঘরে ভাঙ্গচুর লুটপাট করা হয়েছে। কোথায় হনুমানজির মূর্তি ভাঙ্গা হয়েছে। আবার কোথাও হিন্দু নাবালিকা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কোথাও হিন্দু মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। গত সাত দিনে হাওড়া দক্ষিণ ২৪ পরগণায় হিন্দুদের উপর এমনি একের পর এক আঘাত নেমে এসেছে। আর এই সব ঘটনায় হিন্দু পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন সিংহ বাহিনীর নেতা দেবদত্ত মাজি।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা কুলপি সিং এর হাটে হনুমানজির মূর্তি ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। জিহাদিরা এই মূর্তি ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ। সিমেন্টের তৈরি মূর্তি ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে ভাঙ্গা হয়েছে বলে আশঙ্কা এলাকা বাসীর। এই ঘটনার প্রতিবাদে তারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। প্রশাসনের কাছে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানায়। এলাকার মানুষের অভিযোগ বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও দোষীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাচ্ছে না বলেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। এই ঘটনায় স্থানীয় প্রতিবাদি হিন্দুদের সম্পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন দেবদত্ত মাজি ও তার সংগঠন সিংহ বাহিনী।

অন্যদিকে হাওড়ায় উদয়নারায়নপুর বিধানসভার অন্তর্গত পেঁড়ো থানা একটি গ্রামে পাশের গ্রাম থেকে আসা দুষ্কৃতীরা মন্দিরে লুটপাট চালায়। মন্দিরের জিনিস পাশের ক্লাবে রাখা থাকত। সেগুলো দুষ্কৃতীরা সেখান থেকে নিয়ে পালায়। দুষ্কৃতীরা মন্দিরে ভাঙ্গচুরও করে। গ্রামবাসীদের দাবি মন্দির ভাঙ্গচুর করা দুষ্কৃতীদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল মুসলিম। বাধা দিতে গেলে তারা মহিলাদের শ্লীলতাহানিও করে বলে অভিযোগ। তাদের অভিযোগ এই সব কিছু ঘটার সময় পুলিশ ছিল নিরব দর্শক। এই অসহায় গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়াতে গর্জে উঠেছেন দেবদত্ত মাঝি।ৎরাতের অন্ধকারে ছুটে গিয়েছিলেন সেখানে। পুলিশের সঙ্গে বাগ বিতন্ডায় জড়িয়েছেন তিনি। আঙ্গুল তুলে পুলিশ কেন এই হামলা নিরব দর্শকের মতো দেখেছে তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশের উদ্দ্যেশ্যে তার স্পষ্ট প্রশ্ন ছিল, “মুসলিমরা যখন মন্দির লুট করছিল তখন তুই কি করছিলি?” এই ঘটনা স্থানীয় তৃণমূলের বিধায়কের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।

হাওড়ার মানিকুরা গ্রামের এই ঘটনায় ২৩ জন বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য মিথ্যা মামলার দেওয়া হয়েছিল। তাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন দেবদত্ত মাজি। কিন্তু তাতে তাকে পুলিশ বাধা দেয়। তখুনি পুলিশটে চটিচাটা পুলিশ বলে গর্জে ওঠেন দেবদত্ত মাজি।

এরপর উদয়নারায়নপুরে তৃণমূল দুষ্কৃতী দ্বারা নির্যাতিতা নাবালিকা ষকে দেখতে উলুবেরিয়া হাসপাতালেও যান সিংহ বাহিনী রাজ্য সভাপতি দেবদত্ত মাজি। কথা বলেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে। তাদের পাশে থাকারও আশ্বাস দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, একটি জমি সংক্রান্ত ঝামেলাকে কেন্দ্র করে এক তেরো বছরের নাবালিকার ওপর নির্যাতন নেমে আসে। এই ঘটনায় তৃণমূল বিধায়ক আশ্রিত দুষ্কৃতিদের দিকেই আঙ্গুল উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *