সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১২ জুন: রবিবার অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচি ঘিরে ঠাকুরনগরে তুলকালাম। পুলিশ সিআরপিএফের সংঘর্ষ। কমবেশি আহত বেশ কয়েকজন। এই ঘটনায় ৪টি মামলা রুজু হয় উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানায়।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু পুলিশের। কাজে বাধা ও অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। রবিবার ঠাকুরনগরের ঘটনায় বনগাঁর এসডিপিও, গাইঘাটা থানার ওসি সহ আহত ৮ পুলিশকর্মী। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু পুলিশের। গাইঘাটার বিএমওএইচও একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভাঙ্গচুরের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হাসপাতাল ভাঙ্গচুর এবং সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গাইঘাটা থানায় অভিযোগ করেছেন গাইঘাটার বিএমওএইচ। তৃণমূলের পক্ষ থেকে মমতাবালা ঠাকুরও একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর অনুগামীদের মারধর ও মন্দিরে জুতো পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীরা
উঠেছিলেন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বিজেপি মুখপাত্র শমিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। পুলিশ ও তৃণমূলকে পৃথক করা যায় না। ডোমকলে তো আধুনিক অস্ত্র রাখা তৃণমূল নেতাকে পুলিশ সরিয়ে দিচ্ছিল। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়ে যাওয়ার পর তাঁকে ধরা হয়। ঠাকুরনগরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তাটাই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখবে। ঠাকুরবাড়ি দখল করার চেষ্টা করেছে পুলিশ দিয়ে। এবার একতরফা ভাবে মামলা রুজু করা হল। রাজ্যে আইনের শাসন নেই। মানুষের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় বাহিনীদের বিরুদ্ধে মামলায় পালটা মামলা করবেন শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার চেষ্টা করেছি কিন্তু এই অভিযোগ থানা নেবে না। তাই আমি হাইকোর্টে যাব। সেখানেই দেখা হবে।

