রাজেন রায়, কলকাতা, ১৩ নভেম্বর: গত ১৫ সেপ্টেম্বর আচমকাই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন অর্পিতা ঘোষ। সূত্রের খবর, দলের নির্দেশেই দলের সাংগঠনিক কাজে যুক্ত হতে নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। অর্পিতা ঘোষ নিজেই জানিয়েছিলেন, সাংসদ পদ ছেড়ে সাংগঠনিক কাজ করতে চান তিনি। পরিবর্তে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদ দেওয়া হয় অর্পিতা ঘোষকে।
এদিকে গোয়া থেকে ত্রিপুরা একাধিক রাজ্যে প্রভাব বিস্তার করছে তৃণমূল। সম্প্রতি গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরিও তৃণমূূলে যোগ দেন। তার পরই তাকে জানানো হয়েছিল, গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হতে পারে। তাই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ছাড়াও এ বার রাজ্যসভাতেও ফেলেইরিওকে পাঠানো হচ্ছে। অর্পিতা ঘোষের ইস্তফা দেওয়ার পর যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, সেখানেই প্রার্থী হিসাবে লুইজিনহোকে মনোনিত করল তৃণমূল। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যেই তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দিতে পারেন।
এদিকে, ত্রিপুরার পাশাপাশি গোয়া নিয়েও প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পরই রাজ্যের গণ্ডি পার করে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করার যে ঘোষণা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই ত্রিপুরার পর গোয়াতেও পা রেখেছে তৃণমূল। লুইজিনহো হাত ধরেই গোয়ায় সংগঠন মজবুত করতে চাইছে তৃণমূল।

