আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৩০ জুলাই: চা বাগান এলাকায় হাতির করিডর চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার উদ্যোগ নিয়েছে বনদফতর। শনিবার বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জলপাইগুড়ি বনদফতর ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে এক গুচ্ছ সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরলেন।

তিনি বলেন, আগের তুলনায় হাতি অনেক বেড়ে গিয়েছে। এই কারণে জঙ্গল থেকে লোকালয়ে চলে আসছে হাতির দল। জলপাইগুড়ি জেলায় হাতির করিডর চিহ্নিত করা হয়েছে পাঁচটি। সঙ্গে বেশ কিছু চা বাগান চিহ্নিত করা হয়েছে সেখানে জেলাশাসকের মাধ্যমে সাধারণ ভাবে ব্যারিকেড করা হবে। নেপালের কিছু হাতি আমাদের এখানে আসার পর যেতে পারছে না, নেপাল রাস্তা আটকে দিচ্ছে, সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে দাবি মন্ত্রীর। হাতির আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে একরম পরিবারের অনেককে চাকরি দেওয়া হলেও এখনও অনেকে ক্ষতিপূরণের টাকা নিচ্ছেন না। প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা পড়ে আছে। নোটিশ দিয়ে টাকা তাদের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অন্যদিকে মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, কয়েকটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই এলাকায় হাতি ঢুকলে ম্যাসেজ চলে আসবে এরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক চা বাগানে চিতা বাঘের জন্য খাঁচা পাতা হচ্ছে। শূন্যপদ পূরণ করা হচ্ছে, ফরেস্ট এলাকায় কোনো বালি খাদান, কারখানা এই ধরণের কোন কিছু করা যাবে না। বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “ফরেস্টের বন বাংলো সব অন লাইনে বুকিং করতে পারবেন সবাই সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যে আগে বুকিং করবেন সেই পাবেন। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদিয়ারে স্পেশার টাস্ক ফোর্স গঠন করা হচ্ছে। আধুনিক সব জিনিস দেওয়া হবে টাস্ক ফোর্সের বনকর্মীদের। জলপাইগুড়ি থেকে বনদফতরের অফিস নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না।”
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মণ, এসজেডিএ চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী, বিধায়ক খগেশ্বর রায়, জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান পাপিয়া পাল, ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়, ধূপগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ সিংহ। বনদফতরের অফিসার ও রেঞ্জাররা।

