স্কুলে এসে স্বস্তিতে ছাত্র ছাত্রীরা, নির্দেশিকা ও বিধি মেনে পঠন পাঠন শুরু পুরুলিয়ায়

সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১২ ফেব্রুয়ারি: কোভিড পরিস্থিতি ও আতঙ্ক কাটিয়ে অবশেষে স্কুলের ঘণ্টা বাজল, প্রত্যক্ষ করল ছাত্র ছাত্রীরা। দীর্ঘ ১১ মাস পর স্কুলে বসে পাঠ নিতে পেরে স্বস্তি পেল ছাত্র ছাত্রীরা। লক ডাউনে স্কুল বন্ধ, বন্ধ ছিল প্রাইভেট টিউশনও তাই অনভ্যস্ত বাড়িতে অনলাইন ক্লাস আর ভাল লাগছিল না তাদের। উপযুক্ত হ্যান্ড সেট এবং প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট পরিষেবা না থাকায় পুরুলিয়ার গ্রামাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল। আজ থেকে স্কুলে পড়াশোনা চালু হওয়ায় স্বস্তিতে অভিভাবকরাও। আজ স্কুলে ঢোকার মুখে থার্মাল গানের মুখোমুখি হওয়া ফেস মাস্ক পরা ছাত্র ছাত্রীদের উচ্ছ্বসিত দেখা গেল। তাদের মধ্যে একাংশের কথায়, “বাড়িতে অনলাইনে পড়াশোনায় অভ্যস্থ না থাকায় সমস্যা হচ্ছিল। স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকাকে কিছু অজানা জানার সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলাম। স্কুলে পাঠ নেওয়ার সঠিক বিকল্প অনলাইন ক্লাস হতে পারে না।”

পুরুলিয়া শহরের একটি গার্লস স্কুলের একাদশ শ্রেণির নেহা নন্দী, অষ্টমী রানা ছেলেদের স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র তমাল মাহাতো, অনুপ বাউরি, প্রসাদ শর্মাদের বক্তব্য, স্কুলে পড়াশোনার গুরুত্ব তাঁদের কাছে অনেক বেশি।

অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষিকা স্কুলে পড়ানোর জন্য যে মুখিয়ে ছিলেন তা আজ পরিষ্কার হয়ে দেখা দিয়েছে। শিক্ষিকা শিক্ষকদের কথায়, স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের চোখ মুখ দেখে পড়া বোঝাতে পারা না পারা জানা যায়। সেই মতো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। এছাড়া ছাত্র শিক্ষকের সম্পর্ক অনলাইনে গড়ে উঠে না।

এদিন অধিকাংশ স্কুলে শিক্ষার্থীদের এবং শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদেরও একইভাবে থার্মাল গান দিয়ে তাপমাত্রা মেপে ঢুকতে দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে পঠন পাঠন হয়। স্কুল কক্ষে ছাত্রদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি শিক্ষকদের নজর রাখতে দেখা গিয়েছে এদিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *