গোপাল রায়, আমাদের ভারত, আরামবাগ, ৯ আগস্ট: বেশ কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির জেরে বানভাসি খানাকুল। এখনও খানাকুলে জলবন্দি বহু মানুষ। এক সপ্তাহ পার হয়ে যাওয়ার পরেও কমছে না নিচু এলাকাগুলির জল। নেই বিদ্যুৎ, নেই খাদ্য ও পানীয় জল। রূপনারায়ণ নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে হু হু করে বন্দর, কাকনান, ধ্যানগরী এলাকাগুলিতে ঢুকছে জল। খানাকুলের এক নম্বর ব্লক ও দুই নম্বর ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও জল না কমার ফলে জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। কিছু কিছু বাড়ির সামনে দিয়ে নদীর স্রোতের মত বইছে জল। জলের তোড়ে বেশ কয়েকটি পাকা বাড়ি হেলে রয়েছে যে কোনও মুহূর্তে হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়তে পারে।
বন্দর কান্নানের রাস্তার উপরে এখনো জলের স্রোত বইছে। বন্ধ হয়ে রয়েছে যান চলাচল। বহু মানুষের ঘরবাড়ি, গাড়ি, রুটের বাস সব বন্যার জলের ডুবে রয়েছে। ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে খানাকুল, বন্দর, কাকনান, ধান্যগৌরী এলাকার বাসিন্দারা। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষজন। জলমগ্ন হয়ে পড়ায় একদিকে যেমন মিলছে না খাবার, অন্যদিকে খুচরো মাছ ব্যবসায়ীরাও অসহায় হয়ে দিন কাটাচ্ছে। মাছ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আগামী দিনে কি খাব, অসহায় শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারছি না। প্রশাসনের কাছ থেকে ন্যূনতম সাহায্য পেয়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন ত্রাণ দেওয়ার পর আর পাচ্ছে না। ত্রাণ সামগ্রী না পাওয়ায় অনাহারে দিন কাটতে হচ্ছে বহু মানুষজনদের।
অন্যদিকে ব্ন্যা কবলিত এলাকাগুলিতে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী সেনাবাহিনী ও এনডিএফের দল নৌকায় করে পৌঁছে দিচ্ছে।

