রাজেন রায়, কলকাতা, ১১ আগস্ট: দলীয় কর্মসূচিতে যাওয়ার সময় ত্রিপুরায় আক্রান্ত হন তৃণমূল যুব নেতৃত্ব। এ খবর পেয়ে দলের নির্দেশে ত্রিপুরা উড়ে গিয়েছিলেন ব্রাত্য বসু, কুণাল ঘোষ। এরপরই দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। ত্রিপুরায় পৌঁছে যান তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন আক্রান্তরা গ্রেপ্তার, থানা থেকে প্রশ্ন তোলেন তারা। তারপর রবিবার সারাদিন থানায় বসে থাকার পর অবশেষে বিকেলের পর দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্তকে ছাড়িয়ে রবিবার রাতেই কলকাতা ফেরেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আর এবার খোয়াই থানায় অবস্থানের জের, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ৫ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল ত্রিপুরা পুলিশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ব্রাত্য বসু, দোলা সেন, কুণাল ঘোষ ও ত্রিপুরার তৃণমূল নেতা সুবল ভৌমিকের বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের করল খোয়াই থানার পুলিশ। সকলের বিরুদ্ধেই দায়ের করা হয়েছে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা।
প্রসঙ্গত, ত্রিপুরার আমবাসায় আক্রান্ত তৃণমূল যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, যুব নেত্রী জয়া দত্ত সহ ১৪ জনকে গ্রেফতার করে খোয়াই থানার পুলিশ। মহামারি আইন ভাঙা সহ একাধিক অভিযোগে যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু ভট্টাচার্য, ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত যুব তৃণমূল নেত্রী জয়া দত্ত ও সুদীপ রাহাকে রবিবার গ্রেফতার করে খোয়াই থানার পুলিশ।
জানা যায়, কোন অভিযোগের ভিত্তিতে দলের নেতা-নেত্রীদের গ্রেফতার করা হয়েছে, থানায় তার নথি দেখতে চান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে জানা যায়, গ্রেফতারির প্রসঙ্গ তুলে পুলিশের সঙ্গে তরজায় জড়ান কুণাল ঘোষ, দোলা সেনরাও। শেষমেষ ধৃত তৃণমূল যুব নেতা নেত্রী সকলেরই জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক। পাশাপাশি খারিজ করে দেন ধৃতদের বিরুদ্ধে করা অতিরিক্ত মামলাও। ট্যুইটে কুণাল ঘোষ লেখেন, ‘ভয় পেয়েছে বিজেপি’। ‘আমরা আসল হামলাকারীদের গ্রেফতার চেয়েছি। তাদের ছবিও অনেকের কাছে রয়েছে। তার বদলে আক্রান্তরা গ্রেফতার। প্রতিবাদীরা গ্রেফতার। আইন মেনে ছাড়াতে যাওয়ারা গ্রেফতার। ভয় পেয়েছে বিজেপি।’

