আমাদের ভারত, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ১৬ জুলাই: গত ৫ জুলাই গোসাবার রাধানগর তারানগর গ্রামের বাসিন্দা তথা বিজেপির সক্রিয় কর্মী জ্যোতির্ময় মণ্ডলের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয় বসিরহাট মহকুমার দুর্গামণ্ডপ এলাকা থেকে। তাঁর হাতে ও মাথায় একাধিক ক্ষত চিহ্ন ছিল। জ্যোতির্ময়কে দুষ্কৃতিরা খুন করেছে বলেই দাবি বিজেপির। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্তও চলছে।
শুক্রবার বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা পূর্ব সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুনিপ দাস নিহত কর্মীর বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে পরিবারের হাতে দলের তরফ থেকে ৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন। নিহতের পরিবারের পাশে থাকার বার্তাও দেন দলীয় নেতৃত্ব।
গত ৪ঠা জুলাই থেকেই নিখোঁজ ছিলেন জ্যোতির্ময়। এক বন্ধুর সাথে দেখা করার জন্য বাড়ি থেকে বেড়িয়েছিলেন। তারপর আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকালে তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এলাকায় বিজেপি করার জন্যই তাঁকে খুন করা হয়েছে। কারণ বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই জ্যোতির্ময় ও তাঁর পরিবারের উপর একাধিকবার নির্যাতন হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। বাড়ি ভাঙ্গচুর থেকে শুরু করে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের এখনও পর্যন্ত পুলিশ গ্রেফতার করছে না বলেও অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি বলেন, “ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের কোনায় কোনায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। এখানেও হয়েছে। জ্যোতির্ময় বিজেপি করে বলে ওর পরিবারের উপর হামলা হয়েছে। ওকে খুন করা হয়েছে। এখনও দোষীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা ওর পরিবারের পাশে আছি।”

